দেশের সবথেকে পরিছন্ন শহরের তকমা পাওয়া ইন্দোরেই নোংরা পানীয় জল খেয়ে মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে অশ্রাব্য গালি দেন মধ্যপ্রদেশের (Madhyapradesh) সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয় (Kailas Vijaybangya)। তাঁর চোখে চোখ রেখে প্রতিবাদ করেন সাংবাদিক অনুরাগ দ্বারী। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়। কিন্তু সেই পোস্ট মুছে ফেলে এনডিটিভি। সেই নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি লেখেন, “প্রতিবেদকের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে, চ্যানেলটি নীরবতা বেছে নেয়, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার চেয়ে ক্ষমতা রক্ষা করে। ভারতীয় মিডিয়ার সঙ্গে পুঁজিবাদ এটাই করেছে, সেখানে সত্যের চেয়ে মালিকানা বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সাংবাদিকতার সাহসের পরিবর্তে ক্ষমতার নৈকট্য।”

ইন্দোরে মৃতদের পরিবারকে কী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে? মধ্যপ্রদেশের (Madhyapradesh) সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে (Kailas Vijaybangya) সরাসরি প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিক অনুরাগ দ্বারী। অস্বস্তিকর প্রশ্ন শুনে সাংবাদিককে অশ্রাব্য গালি দেন বিজেপির মন্ত্রী। তবে, শেষ পর্যন্ত এই ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাইছে বাধ্য হয়েছেন বিজয়বর্গীয়। এই ঘটনা নিজের এক হ্যান্ডেলে শেয়ার করে সাংবাদিকের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি লেখন, “ভারতের আপনার মতো আরও বেশি মানুষের প্রয়োজন”।
We live in a country where a news channel deletes a tweet showing its own journalist being verbally attacked by a ruling party leader simply for asking questions. Instead of standing by their reporter, the channel chooses silence, protecting POWER rather than PRESS FREEDOM. This… https://t.co/1i3bpiCA94
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) January 1, 2026
কিন্তু সাংবাদিকের সঙ্গে কৈলাসের সেই ভিডিও মুছে ফেলে এনডিটিভি। এর পরেই তীব্র কটাক্ষ করেন অভিষেক। নিজের এক হ্যান্ডেলে আগের পোস্ট শেয়ার করে লেখেন, “আমরা এমন একটি দেশে বাস করি যেখানে একটি সংবাদ চ্যানেল একটি টুইট মুছে ফেলে যেখানে দেখানো হয়েছে যে তার নিজের সংস্থার সাংবাদিককে শুধু প্রশ্ন করার জন্য একজন শাসকদলের নেতা মৌখিকভাবে আক্রমণ করছেন। তাদের প্রতিবেদকের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে, চ্যানেলটি নীরবতা বেছে নেয়। সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার চেয়ে ক্ষমতা রক্ষা করে। ভারতীয় মিডিয়ার সঙ্গে পুঁজিবাদ এটাই করেছে, যেখানে সত্যের চেয়ে মালিকানা বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সাংবাদিকতার সাহসের পরিবর্তে ক্ষমতার নৈকট্য। এটিই তথাকথিত নতুন ভারত।“ শেষে টিপ্পনি কেটে অভিষেক লেখেন, “চ্যানেলের মালিক কে তা অনুমান করার জন্য কোনও পুরস্কার নেই। সব চাঙ্গা সি!“

আরও পড়ুন- পাটশিল্পের সমস্যা মেটানোর দাবি জানিয়ে গিরিরাজকে কড়া চিঠি ঋতব্রতর

_

_

_

_
_
_
_
