ব্রিগেডের আদলে ব়্যাম্প করা হয়েছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারুইপুরে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সভামঞ্চের। কেন ব়্যাম্প (Ramp)? কৌতুহল ছিল তুঙ্গে। শুক্রবার, সেই ব়্যাম্পে খসড়া ভোটার তালিকা তিন ‘মৃত’কে হাঁটিয়ে নির্বাচন কমিশনকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

২০২৪ সালে ব্রিগেডের মেগা সমাবেশের মতোই উন্মুক্ত ক্রস ব়্যাম্প বারুইপুর ফুলতলা সাগর সংঘ মাঠে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের জনসভায়। সেই সভা ঘিরে কৌতুহল ছিল তুঙ্গে। এদিন বক্তব্য রাখতে উঠে সেই বিষয়ে উত্থাপন করেন অভিষেক। তারপরেই সবাইকে চমকে দিয়ে বলেন, আপনারা ভূত দেখবেন? ভূত দেখাব বলে ব়্যাম্প করেছি। তার পরেই তিনজনকে মঞ্চে ডাকেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। পরিচয় করিয়ে দেন তাঁদের। হরেকৃষ্ণ গিরি, মায়া দাস ও মনিরুল ইসলাম মোল্লাদের দেখিয়ে অভিষেক জানান, খসড়া ভোটার তালিকায় এঁদের মৃত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিষেক জানান, “এই যে তিন জনকে দেখছেন, তাঁদের এই দু’জন মেটিয়াবুরুজের বাসিন্দা। আর ইনি কাকদ্বীপের। নির্বাচন কমিশন এঁদের মৃত ঘোষণা করেছে। শুধু এঁরাই নয়, এঁদের মতো আরও ২৪ জন রয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনায়, যাঁদের মৃত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। অথচ দেখুন, এবার সবাই বেঁচেবর্তে রয়েছেন। তাহলে কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, এঁরা সবাই ভূত! আমি তাই এই ‘ভূত’দের ডেকে হাঁটালাম।”
এর পরেই কেন্দ্র ও কমিশনকে এক বন্ধনীতে রেখে অভিষেকের নিশানা করে বলেন, “আমরা একজনের নামও কাটতে দেব না। আগামী দিনে তৃণমূল দিল্লিতে যাবে। ভ্যানিশ কুমাররা তৈরি থাকুন-জ্ঞানেশ কুমার, অমিত শাহ সবাই ভোটের জলোচ্ছ্বাসে ভেসে যাবেন।” ‘এসআইআর-এর কারণে’ মৃত তিনজনের পরিবারকে এদিন অভিষেকের সভায় ডাকা হয়। শফিকুল গাজি, হাফেজ শাহবুদ্দিন ও আবু তালেব সর্দারের পরিবারের সদস্যেরা ছিলেন সভায়।

–

–

–

–

–



