Tuesday, May 26, 2026

অন্যান্য রাজনৈতিক দল বিজেপির সঙ্গে ডিল করেছে, ২০২৯-এ ওদের গল্প শেষ: বিস্ফোরক অভিষেক

Date:

Share post:

“অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি ডিল করে নিয়েছে বিজেপির সঙ্গে।“ বৃহস্পতিবার, মালদহের (Maldah) সভা থেকে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। নাম না করে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকেও নিশানা করেন অভিষেক। তিনি সাফ জানান, “২০২৯-এ ওদের (বিজেপির) গল্প শেষ।“

এদিনের সভা থেকে কংগ্রেসকে (Congress) তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বলেন, “অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি ডিল করে নিয়েছে বিজেপির (BJP) সঙ্গে। কী ভাবে ডিল করেছে, তা আগামী দিনে বুঝতে পারবেন। যিনি ২০১৯ সালে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন, তিনি বাবরি মসজিদ করছেন। তিনি ধর্মের নামে বিভাজন করে মাঝখান থেকে কিছু টাকা তুলে নিচ্ছেন।“

অভিষেকের সাফ জানান, “কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নাম যদি হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পারবে না ওরা। অন্য রাজনৈতিক দল ডিল করে নিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেস করেনি।“

হুমায়ুন কবীরের নাম না করে অভিষেক বলেন, “যিনি বিজেপির প্রার্থী ছিলেন তিনি এখন বাবরি মসজিদ বানাচ্ছেন। আর কিছু পয়সা তুলে নিচ্ছে। এক পয়সাও দেবেন না। গরিব মানুষকে পয়সা দিয়ে সাহায্য করবেন। কোরানে লেখা আছে। কোনও ধর্ম বিভাজনের কথা বলে না। যারা বিজেপির সাথে ডিল করে মানুষকে অসুবিধায় ফেলতে চাইছেন তাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।“

অভিষেকে সাফ জানান, “ভারতে যে ১৫০০টা রাজনৈতিক দল রয়েছে, তার মধ্যে একটি মাত্র দল বিজেপিকে শিক্ষা দিতে পারে। সেই দল হল তৃণমূল কংগ্রেস। অন্য দল বিজেপির কাছে হারে। আর সেই বিজেপি তৃণমূলের কাছে হারে। এটাই পার্থক্য।“
আরও খবরফিরে যেতে দেব না, কর্মসংস্থান নিয়ে কথা বলব মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে: পরিযায়ী শ্রমিকদের আশ্বাস অভিষেকের, চালু হেল্প লাইন

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হুঙ্কার দিয়ে বলেন, “২০২৯-এ ওদের গল্প শেষ। শুধু নিজেরা ভাগ হবেন না। যারা ভাগ মমতা ভাগ বলেছিল, তারা আজ ভাগ বিজেপি ভাগ হয়ে গিয়েছে।“ অভিষেকের কথায়, “কংগ্রেস আছে একদিকে, সিপিএম আছে একদিকে। নতুন দল আসছে। কে কোথায় যাবে, কোথায় প্রার্থী দেবে সেটা ঠিক করবে তারা। কিন্তু বিজেপিকে শিক্ষা দিতে পারে একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস। সেটা মনে রাখবেন।“

অভিষেক জানান, “মেঘালয়ে আমরা লড়তে গিয়েছিলাম। ওখানে আমরা এখন বিরোধী দল। কংগ্রেসের যারা জিতেছিল, তারা বিজেপিতে চলে গিয়েছে। আমাদের কেউ যায়নি। বাংলাতেও খালি ভাঙতে পারছে না।“ হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আসছেন এখানে। আমি সেই একই মাঠে সভা করব ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে। সেদিন ট্রেলার দেখাব। আর ২৬ এর ভোটে সিনেমা দেখাব। তৈরি থাকো।“

Related articles

বেকারত্ব-পরিবেশ-সংস্কৃতি রক্ষায় এবার রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের ডাক DYFI-এর

রাজ্যে কর্মসংস্থানহীনতা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতিকে বাঁচানোর দাবিতে এবার একযোগে আন্দোলনের পথে নামছে ডিওয়াইএফআই। সম্প্রতি...

”জলদি জলদি ভাগো…”! অনুপ্রবেশকারীদের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

আগেই অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’। মঙ্গলবার, নদিয়ার (Nadia) কল্যাণীর এপিজে আবদুল কালাম প্রেক্ষাগৃহে বৈঠকে পরে আরও কড়া বার্তা...

বড়সড় ধাক্কা! ফলতার জাহাঙ্গীরের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার হাইকোর্টের

কলকাতা হাইকোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেলেন ফলতার জাহাঙ্গীর খান। তাঁর আইনি রক্ষাকবচ প্রত্যাহারের নির্দেশ দিল আদালত। নতুন করে তাঁকে...

দুঃসময়ে আবার বেসুরো সুখেন্দুশেখর! প্রতিকূল ইস্যুতে ‘বিপ্লব’, কটাক্ষ তৃণমূলের

ফের একবার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের গলায় দলবিরোধী কথা। তৃণমূল জমানায় বাংলার সময়কালকে কার্যত ‘অরাজক’ অবস্থা বলে দাবি করলেন...