আনন্দপুরের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোকপ্রকাশের পাশাপাশি বড়সড় আর্থিক সাহায্য ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সিঙ্গুরের সভা থেকে তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবারের একজন সদস্যকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন বলেন, “কাল আমাদের কিছু বন্ধু প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করতে গিয়ে মারা গিয়েছেন। আমি ফিরহাদ হাকিম ও অরূপকে বিশ্বাসকে পাঠিয়েছিলাম।” তিনি আরও জানান, সরকারের দেওয়া ১০ লক্ষ টাকা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট কোম্পানি এবং ডেকরেটর্স কোম্পানি ৫ লক্ষ টাকা করে সাহায্য করবে। অর্থাৎ মৃত পরিবারগুলি মোট ১৫ লক্ষ টাকা করে সহায়তা পেতে চলেছে।

তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, ভস্মীভূত গোডাউন থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ১৬টি দগ্ধ দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশের খাতায় এখনও নিখোঁজের তালিকায় রয়েছেন ২৩ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্তূপীকৃত ছাই ও ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার হওয়া দেহাংশগুলির পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে গোডাউন মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, ওই গোডাউনে ন্যূনতম কোনও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। জলাশয় বুজিয়ে বেআইনিভাবে এই নির্মাণ হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কেন সেখানে নিয়মিত ‘ফায়ার অডিট’ করা হয়নি, সেই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন- মেটিয়াবুরুজে উপচে পড়া ভিড়! সেবাশ্রয়-২ শিবিরের হালহকিকত খতিয়ে দেখলেন অভিষেক

_

_

_

_

_

_
_
_


