একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু। তাকে ঘিরে রাজনীতি মৃত্যুর দিন থেকেই। বিরোধীদের আশঙ্কা, দুর্ঘটনা নয়। নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন তাঁরা। সেভ জোনে নেমে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার বার্তা দিয়েছেন শারদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাড়নবিশ (Devendra Fadnavis) দাবি করেছেন, এই ঘটনায় রাজনীতি করা অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar) অপমান।

আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনার পরে পাইলটদের ঘাড়ে দোষ চাপানোর যে চেষ্টা হয়েছিল তা ভুল প্রমাণিত হয়। উঠে আসে ডিজিসিএ-র (DGCA) নজরদারির গাফিলতির কথা। অথচ প্রথম থেকেই সেই আশঙ্কা প্রকাশ করে নিরপেক্ষ তদন্ত তখন দাবি করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এবারেও তার ব্যতিক্রম হল না। অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনায় একইভাবে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নজরদারিতে তদন্ত দাবি করেছেন তিনি।

তার কারণ হিসাবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বিজেপির সঙ্গে অজিত পাওয়ার দূরত্ব তৈরি হওয়ার আশঙ্কা। যা মহারাষ্ট্রের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে এসেছে। তবে ভাইপোর মৃত্যুর পর রাজনীতি করতে নিষেধ করছেন শারদ পাওয়ার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ার পরই তাঁর এই আবেদন। অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar) মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ শারদ (Sharad Pawar) আপাতত পরিস্থিতি সামলাতে ব্যস্ত, সেই সঙ্গে পরিবার। সেই সঙ্গে দুই এনসিপি-র (NCP) জুড়ে যাওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তাতেও জল ঢেলে যাওয়া আটকাতে ব্যস্ত তিনি। মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি হলে সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে রাজনীতি বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন : ‘নির্ভর’ করা মহিলা পাইলটের হাতেই মৃত্যু! অজিত পাওয়ারের সঙ্গেই নিশ্চিহ্ন তিন বিমানকর্মী

তবে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গ উঠতেই সাবধানী পা ফেলছেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাড়নবিশ। একবারও তিনি বলছেন না – তদন্ত হোক। নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। তাঁর আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। দাবি করছেন, মহারাষ্ট্রের সন্তান, রাজনীতিকের মৃত্যুতে এই ধরনের বার্তা নিম্ন মানসিকতার। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতি করলে অজিত পাওয়ারকে অপমান করা হয়।

–

–

–

–

–


