এসআইআর-আতঙ্কে বাংলায় মৃত্যুমিছিল অব্যাহত (SIR death)। শুনানির আতঙ্কে রাজ্যে নতুন করে আরও চারজনের মৃত্যু হল। একদিকে, কলকাতার মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে হাওড়া ডোমজুড়ের এক বৃদ্ধের। আবার, শহরের এক নার্সিংহোমে অসুস্থ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন হুগলি পোলবার এক বৃদ্ধ। মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জেও এক বৃদ্ধা শুনানি-আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। বসিরহাটের হাড়োয়ায় শুনানির দিনেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী বছর ৩৫-এর এক ব্যক্তি। আরও পড়ুন: খুচরো সমস্যার সমাধানে ‘হাইব্রিড এটিএম’

গত শুক্রবার শুনানিতে ডাক পেয়েই আতঙ্কে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছিলেন ডোমজুড়ে কাপড় ব্যবসায়ী শেখ আজিজুর রহমান (৬৫)। পরিবারের দাবি, অসুস্থ আজিজুরকে প্রথমে ডোমজুড় গ্রামীণ হাসপাতালে এবং সেখান থেকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরবর্তীকালে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বৃহস্পতিবার সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, বুধবার সকালে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয়েছে পোলবা থানার হোসনেবাদ এলাকার বাসিন্দা শেখ ইসমাইল (৭০)-এর। পরিবারের অভিযোগ, কয়েকদিন আগে শুনানির নোটিশ পাওয়ার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ইসমাইল। গভীর দুশ্চিন্তায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল খাওয়াদাওয়া ও ঘুম। সোমবার রাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রথমে মগরার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে, তারপর সেখান থেকে কলকাতার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু বুধবার তাঁর মৃত্যু হয়। আবার, সামশেরগঞ্জে শুনানি নোটিশ পাওয়ার পর থেকে প্রবল দুশ্চিন্তায় ভুগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে বছর ৫৫-র নুরেমা বিবির। পরিবারের দাবি, এসআইআর-আতঙ্কেই মৃত্যু। অন্যদিকে, হাড়োয়া ব্লকের গোপালপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুবনপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনের নামে শুনানি নোটিশ আসায় আতঙ্কে আত্মঘাতী বাপ্পা মণ্ডল (৩৫)।

–

–

–

–

–

–

–

–


