বাংলা ভাষায় কথা বললে কীভাবে বাংলার মানুষের উপর অত্যাচারের ঘটনা ঘটে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে তা নজির গত কয়েক মাস ধরে বাংলার মানুষ দেখেছে, এখনও দেখছে। বারবার বিজেপির নেতারা দাবি করেছেন, বাঙালি মানে বাংলাদেশি। এবার কেন্দ্রীয় বাজেটে (Union Budget 2026) সেই মনোভাবেরই প্রতিফলন। সংসদে অর্থমন্ত্রীর বাজেট পেশের পরে সেই মনোভাব নিয়েই বঞ্চনার প্রতিবাদে সরব তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

রবিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) যে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির কথা বলেন সেখানে একবারও বাংলার কোনও শিল্প স্থাপনের বার্তা তিনি দেননি। এমনকি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে যে বিনিয়োগ কেন্দ্রের সরকার করতে চলেছে, তাতেও কোথাও নাম নেই বাংলার। সেখানেই অভিষেকের প্রশ্ন, একটা নিমহান্স ইনস্টিটিউট করার কথা বলা হয়েছে। একটা যেমন আছে ব্যাঙ্গালুরুতে, তেমন অতিরিক্ত দুটো। একটা করা হচ্ছে অসমে, একটা করা হচ্ছে ঝাড়খণ্ডে। বাংলার পূর্বে অসম, পশ্চিমে ঝাড়খণ্ড। মানে বাংলার মানুষের অসুবিধা হলে হয় ঝাড়খণ্ড যাও, নাহলে অসম যাও। বাংলায় করব না। বাংলার মানুষকে অত্য়াচারিত করে রাখব।

আরও পড়ুন : বাংলায় জিততে পারেব না, তাই বঞ্চনা: দিশাহীন, ভিত্তিহীন বাজেটে কটাক্ষ অভিষেকের

আদতে বাংলার প্রতি যে মানসিকতা বিজেপির নেতারা পোষণ করে তারই প্রতিফলন বাজেটে। সেখানেই তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের অভিযোগ, বাংলার ১০ কোটি মানুষকে যদি কেউ বাংলাদেশি (Bangladeshi) বলে, মনে করে, সেটা এই দেশের প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন। তাঁরা বাংলার জন্য কোনও রকম কোনও বরাদ্দ, বা আর্থিক প্যাকেজ বা সমাধান কিছুই আনেনি এই বাজেটে। বাংলার শ্রমিক, কৃষক, তপশিলি, আদিবাসী, জনজাতি প্রতিনিধি, মৎস্যজীবী কারো জন্য কিছু নেই এই বাজেটে। যুব সমাজের জন্য আলাদা কর্মসংস্থানের কিছুই করা হয়নি।

–

–

–

–

–

–


