বাংলাদেশকে (Bangladesh cricket team) বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ‘অজুহাত’ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছে পাকিস্তান। তবে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ থেকে রাজনৈতিক মহল সকলেই মনে করছে পাকিস্তানের এই ‘পাল্টা চাল’ আসলে বুমেরাং হয়ে ফিরছে তাদের দিকেই। ভারত-পাকিস্তান (Ind vs Pak) ক্রিকেট মানেই টানটান উত্তেজনা। যদিও সাম্প্রতিক কালের পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যাবে, যত দিন যাচ্ছে ততই যুযুধান দুই পক্ষের ম্যাচে খেলাটাকে একপেশে করে দিয়েছে টিম ইন্ডিয়া (Indian cricket team)। ভারতের কাছে জিততে না পারাটা যেন পাকিস্তান প্লেয়ারদের কাছে চেনা ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বকাপ কিংবা হাই ভোল্টেজ টুর্নামেন্ট হোক অথবা অনূর্ধ্ব ১৯ যুবদের বিরুদ্ধে খেলতে নামা, নীল জার্সির বিপক্ষে কাবু পাকিস্তান (Pakistan cricket team)। তবে এবার একটু অন্য ‘নাটক’। বাংলাদেশকে শিখন্ডী করে খেলার মাঝে রাজনীতি ঢোকাতে চাইছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের এই খামখেয়ালি আচরণে ফিরেছে গৌতম গম্ভীরের (Gautam Gambhir) মন্তব্যের প্রসঙ্গ।

ভারতীয় দলের বর্তমান কোচ ২০১৯ সালে পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় (Pulwama terrorist attack) ৪০ জন ভারতীয় জওয়ানের আত্মত্যাগের পর সরব হয়েছিলেন। স্পষ্ট জানিয়েছিলেন কোনও মধ্যস্থতা নয়, হয় পাকিস্তানের সঙ্গে পুরোপুরি সম্পর্ক থাকবে, নয়তো সব দিক থেকে বিচ্ছিন্ন হতে হবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) শুরুর আগে এখন ঘুরে ফিরে আসছে সেই চর্চা।পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (PCB) সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই। কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, যারা বারবার ক্রিকেটের সঙ্গে রাজনীতি মেশানোর অভিযোগ তোলে, তারাই এখন সরাসরি বয়কটের পথে হাঁটছে। ২০১৯ সালে গম্ভীর বলেছিলেন, “শর্তসাপেক্ষ নিষেধাজ্ঞা বলে কিছু হয় না। হয় পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা চাপাও, নয়তো সব কিছুতে ছাড় দাও। পুলওয়ামাতে যা ঘটেছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। হয়তো আইসিসি’র টুর্নামেন্টে পাকিস্তানকে বয়কটকে করা কঠিন। কিন্তু ভারতের উচিত এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা বন্ধ করে দেওয়া।দেশ সবার আগে। ৪০ জন সেনার জীবন ক্রিকেটের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।” তখন এই বক্তব্য ঘিরে তুমুল সমালোচনা হয়েছিল। এখন পাকিস্তান নিজে ম্যাচ বয়কটের রাস্তা বেছে নিতেই বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্কের বল গড়ালো মাঠ ময়দান থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার সর্বত্র।

–

–

–

–

–

–

–

–


