Site Logo

কলকাতার ধোঁয়া না কি গ্রামের ধুলো, বেশি ঘাতক কে? কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সন্ধানে রাজ্য

EBBS Desk·
কলকাতার ধোঁয়া না কি গ্রামের ধুলো, বেশি ঘাতক কে? কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সন্ধানে রাজ্য

শহরের শিল্পাঞ্চলের ধোঁয়া আর গ্রামের বাতাসের ধুলো— দুইয়ের বিষক্রিয়া কি সমান? নাকি জনস্বাস্থ্যের ওপর এদের প্রভাব ভিন্ন? দূষণের এই তুলনামূলক চরিত্র বিশ্লেষণ করতে এবার আন্তর্জাতিক গবেষণার পথে হাঁটল রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ। এই মেগা প্রজেক্টে পর্ষদের সঙ্গী হয়েছে আমেরিকার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেঙ্গালুরুর একটি প্রথম সারির বিজ্ঞান ও নীতি গবেষণা সংস্থা।

Sponsored

Sranchi In Article

পর্ষদ সূত্রে খবর, সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে একটি অদ্ভুত বিষয় ধরা পড়ছে। দেখা যাচ্ছে, কলকাতার বায়ুর গুণমান সূচক (একিউআই) যখন ২০০-র আশেপাশে থাকে, দুর্গাপুরের মতো শিল্পাঞ্চলে তা পৌঁছে যায় ২৫০-এ। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির মতো কৃষিপ্রধান গ্রামীণ এলাকাতেও দূষণের সূচক প্রায় একই স্তরে ঘোরাফেরা করছে। প্রশ্ন উঠছে, সব ধরনের দূষক কি সমান ভাবে বিষাক্ত? এই ধন্দ কাটাতেই শুরু হয়েছে যৌথ বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা।

Sponsored

Merlin In Article

পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণ রুদ্র জানিয়েছেন, দূষণজনিত ক্ষতির মাত্রায় ফারাক থাকলে জনস্বাস্থ্যের ওপর তার প্রভাবও আলাদা হবে। সেই কারণেই এই বৈজ্ঞানিক যাচাই প্রয়োজন। বর্তমানে রাজ্য জুড়ে থাকা ৪০০টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রতি ১৫ মিনিট অন্তর দূষণ সংক্রান্ত তথ্য সংগৃহীত হচ্ছে। এই বিপুল তথ্যভান্ডার বিশ্লেষণের কাজে সহায়তা করছেন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। সংগৃহীত তথ্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গেও ভাগ করে নেওয়া হবে যাতে তাঁরাও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারেন।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

পরিবেশবিদদের মতে, গত কয়েকশো বছরে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধির ফলে পরিবেশগত ভারসাম্যে বড় চ্যুতি ঘটেছে। এর ফলে ফসলের ক্ষতি থেকে শুরু করে ঘূর্ণিঝড়ের দাপট বৃদ্ধি— সবকিছুরই শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এই পরিস্থিতিতে পর্ষদের বিজ্ঞানীদের দাবি, দূষণ নিয়ন্ত্রণে আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালে কলকাতায় যেখানে বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা বা পিএম টেন-এর বার্ষিক গড় মাত্রা ছিল ১৪৭, ২০২৫ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪-এ।

Sponsored

Camelia In Article

পর্ষদ মনে করছে, সূচক কমলেও দীর্ঘমেয়াদি এবং ধারাবাহিক পদক্ষেপই একমাত্র সুস্থ বাতাসের চাবিকাঠি। গ্রাম ও শহরের দূষণের উৎস এবং তার মারক ক্ষমতা আলাদাভাবে চিহ্নিত করা গেলে আগামী দিনে এলাকাভিত্তিক নীতি নির্ধারণ করা সহজ হবে বলে আশা করছেন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা।

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

_

 

_

 

_

 

_

 

_

Related Articles

More from রাজ্য

View All →