সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল, বেঁধে দিয়েছিল সময়সীমাও। তবু এখনও বেপাত্তা রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন। সল্টলেকের দত্তাবাদে স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ ও খুনের মামলায় অভিযুক্ত এই প্রাক্তন বিডিওকে গত ২৩ জানুয়ারির মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। কিন্তু নির্দেশের পর থেকেই রহস্যজনক ভাবে গা ঢাকা দিয়েছেন তিনি।

কিন্তু বিতর্কের সূত্রপাত চার্জশিট নিয়ে। জানা গিয়েছে, বিধাননগর আদালতে স্বর্ণব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা দিলেও, তাতে আশ্চর্যজনক ভাবে নাম নেই প্রশান্ত বর্মনের। আর তাতেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে তদন্তের নিরপেক্ষতা ও পুলিশের ভূমিকা। নিহত স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার পরিবারের অভিযোগ, এই খুনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে জড়িত ছিলেন রাজগঞ্জের তৎকালীন বিডিও প্রশান্ত বর্মন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা রুজু হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ খুনের ঘটনায় বিডিওর যোগ থাকার একাধিক তথ্য হাতে পেয়েছিল বলেও দাবি। এমনকী ঘটনার দিন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে প্রশান্ত বর্মনকে দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। আরও পড়ুন: জন্ম শংসাপত্রে ‘বেনিয়মে’ কড়া পদক্ষেপ কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের

তদন্তের সূত্র ধরে প্রশান্ত বর্মনের ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু মূল অভিযুক্ত বলে যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই প্রশান্ত বর্মনের নাগাল পেতেই হিমশিম খাচ্ছে তদন্তকারীরা। এর আগে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বারাসত আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন প্রশান্ত বর্মন। সেই আবেদন মঞ্জুরও হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে শীর্ষ আদালতের নির্দেশের পরও তাঁর আত্মসমর্পণ না করা এবং চার্জশিটে নাম না থাকায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

–

–

–

–

–

–

–


