আদালতে ভর্ৎসিত চিকিৎসক আখতার আলি শেষমেশ বুঝেই গেলেন আর পালিয়ে লাভ নেই। গ্রেফতারি পরোয়ানা বেরোলে গ্রেফতারি নিশ্চিত। ফলে নিজেই হেঁটে এসে আত্মসমর্পণ করার জন্য আলিপুরের বিশেষ আদালতে পৌঁছালেন আর জি করের প্রাক্তন চিকিৎসক আখতার আলি (Akhtar Ali)। আর সেখানেই তিনি দাবি করার চেষ্টা করলেন তাঁকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হচ্ছে। তবে তাঁকে অভিযোগের তিরে রাখা সিবিআই-এর (CBI) ভূমিকা সেই ষড়যন্ত্রে কোথায়, তা আর বলতে পারলেন না আখতার আলি।

শুক্রবার বিশেষ সিবিআই আদালত ভর্ৎসনা করে আরজিকর দুর্নীতিতে (R G Kar money laundering) অভিযুক্ত চিকিৎসক আখতার আলিকে। সিবিআই-এর আইনজীবীরা স্পষ্ট দাবি করেন, যে দুর্নীতির অভিযোগ আখতার আলি করেছেন, এবং যার ভিত্তিতে তদন্ত চলছে, সেই দুর্নীতিতে তিনি নিজেও জড়িত। সেই মামলায় প্রায় দেড় বছর জেল খাটছেন অন্যরা। তবে আখতার আলি কেন বাইরে থাকবেন। এরপরই আদালত জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানা বের করার নির্দেশ দেয়।

যদিও সিবিআই গ্রেফতারি পরোয়ানা বের করার আগেই শনিবার বিশেষ সিবিআই আদালতে হাজির আখতার আলি। তিনি সেখানে দাবি করেন, তিনি অভিযোগ করাতেই না কি তাঁকে রাজনৈতিকভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। রাজ্যের শাসকদল ফাঁসাচ্ছে তাঁকে। তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই-এর চার্জশিটে যে তাঁর নাম রয়েছে, এবং তাঁর গ্রেফতারি দাবি করেছে সিবিআই (CBI)। তাঁরাও কী এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত? এর কোনও উত্তর দিতে পারলেন না আখতার আলি (Akhtar Ali)।

আরও পড়ুন : আদালতের কোপে আখতার আলি: আরজিকরের অভিযোগকারীর বিরুদ্ধেই গ্রেফতারি পরোয়ানা

বাস্তবে তিনি যে কুকীর্তি ধামাচাপা দিতে তিনি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, তা প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। একথা বুঝতে পেরে কার ঘাড়ে দায় চাপাবেন, এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না আখতার আলি। শনিবার তিনি বিশেষ সিবিআই আদালতে যখন আসেন তখন অবশ্য সিবিআই-এর তরফে কেউ উপস্থিত ছিলেন না আদালতে। অন্যদিকে আখতার আলির আইনজীবীও উপস্থিত ছিলেন না। ফলে আত্মসমর্পণ করতে পারলেন না শনিবার তিনি।

–

–

–

–

–

