আজ থেকে শুরু হচ্ছে পড়ুয়া জীবনের দ্বিতীয় বড় বোর্ড পরীক্ষা। বুধবার শেষ হয়েছে মাধ্যমিক, বৃহস্পতি থেকে শুরু সেমিস্টার পদ্ধতিতে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা (higher secondary exam)। এবার একই দিনে তিন ধরনের পরীক্ষা হবে বলে সংসদ সূত্রে জানা গেছে। একদিকে যেমন চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা (4th semester of HS) শুরু হচ্ছে তেমনই একই দিনে শুরু হচ্ছে পুরনো সিলেবাসের পরীক্ষা। সেইসঙ্গে তৃতীয় সেমিস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষাও (3rd semester supplementary exam) একইসঙ্গে শুরু হবে, তবে সেক্ষেত্রে সময়ের ফারাক রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভকামনা জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।


আজ একই ভেন্যুতে তিন ধরনের পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষক মোতায়ন থাকছে। সেইসঙ্গে প্রশ্নপত্র গুলিয়ে যাতে না যায় তার জন্য আলাদা রঙের খাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

আজকের রাশিফল: ১২ রাশি, কর্ম, অর্থ ও শিক্ষায় কার কেমন কাটবে দিন

চতুর্থ সেমিস্টারের নতুন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়, শেষ বেলা ১২টায়। একই সঙ্গে শুরু হবে চতুর্থ সেমিস্টারের পুরনো সিলেবাসের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাও। তবে ১০টায় শুরু হয়ে সেই পরীক্ষা শেষ হবে বেলা ১টায়। তৃতীয় সেমিস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা হবে দুপুর ১টা থেকে ২.১৫ মিনিট পর্যন্ত। এবছর উচ্চ মাধ্যমিক মোট পরীক্ষার্থী ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৮১১ জন। এর মধ্যে নতুন সিলেবাসের চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষার্থী ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৬৪ জন। তৃতীয় সেমিস্টারের সাপ্লিমেন্টরি পরীক্ষার্থী ৫৮ হাজার ৪৫২ জন। আবার চতুর্থ সেমিস্টারের পুরনো সিলেবাসের পরীক্ষার্থী ১৪ হাজার ৪৯৪ জন। এবছর মোট ২১০৩ টি পরীক্ষা কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতি শিক্ষক পিছু ২০জন পরীক্ষার্থীর নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে শিক্ষক ও ইনভিজিলেটরের সংখ্যা গতবারের থেকে প্রায় ৭ হাজার বাড়াতে হয়েছে বলে দাবি সংসদের। সেক্ষেত্রে মাধ্যমিক স্তরের স্কুলের শিক্ষকদের পাশাপাশি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকদেরও ইনভিজিলেটর হিসাবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE)।পরীক্ষার প্রথম দিনেই নিরাপত্তার প্রশ্নে বিন্দুমাত্র আপস করতে রাজি নয় উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। পাশাপাশি সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পরীক্ষা চলাকালীন কোনও পরীক্ষার্থী হিংসাত্মক আচরণ করলে বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করলে তাঁর পরীক্ষা তৎক্ষণাৎ বাতিল করা হবে। এমনকি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ডও।

–

–

–

–

–

–
–


