পাড়ায় জমি বিবাদের জেরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে (Higher Secondary Student Attack) পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠলো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দীপক অধিকারী নামের এক ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলেকে মারধর করেছেন এক স্থানীয় তৃণমূল নেতা। জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে ছেলেকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বেরুগ্রাম অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি শেখ শাহাদ আলি ওরফে লকাই।

ঘটনার পর শাহাদ জানিয়েছেন , “দীপকের এক ভাই দু’বছর আগে মারা গিয়েছেন। কিন্তু তাঁর স্ত্রী, এক মেয়ে রয়েছে। দীপকের ভাইয়ের ভাগের পাওনা হিসেবে দু’কাঠা জমি আছে। যা পেতে তাঁরা বার বার দীপক অধিকারীকে বলছিলেন। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। বুধবার দীপক অধিকারী কিছু লোকজনকে নিয়ে গিয়ে অশান্তি করেন। আমাদের কাছে খবর আসায় জনপ্রতিনিধি হিসেবে যাই। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিল। এখন বিজেপি আমার নামে বদনাম করছে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্কই নেই। একটা পারিবারিক ঝামেলা। যা মেটাতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে যাই। মানুষ বিপদে পড়লে, সেখানে যাব, এটাই তো স্বাভাবিক।” আরও পড়ুন: দিঘার সৌন্দর্যায়নে জমি ই- নিলামে বড় উদ্যোগ রাজ্যের

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীপক অধিকারী বিজেপি সমর্থক। তাঁকে এলাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও দেখা যায়। ফলে এই ঘটনাকে নিয়ে যে বিজেপি রাজনৈতিক রং লাগাতে চাইছে তা বলাই বাহুল্য। তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি তিনি খোঁজ নিয়ে দেখছেন এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষপাতী। ইতিমধ্য়েই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যের কারণ কী, তা বাজারের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

–

–

–

–

–

–

–


