Thursday, April 23, 2026

বেকারত্বে শীর্ষে ডবলইঞ্জিনের রাজ্য, বাংলায় হার মাত্র ৩.৬%

Date:

Share post:

বাংলা কর্মসংস্থানে এগিয়ে। তাই বেকারত্বের হারও বিজেপি-রাজ্যের (BJP Ruled State) তুলনায় বাংলায় অনেক কম। কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যানই বলছে সে কথা। ভারতের জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস পরিচালিত পিএলএফএস অর্থাৎ পিরিয়ডিক লেবার ফোর্স সার্ভের রিপোর্টই প্রমাণ যে, বাংলা শুধু বলে না, কাজে করে দেখায়। আর যারা শুধু ‘আর্থিক সহায়তা নয়, চাকরি চাই’ বলে চিৎকার করে, তাদের রাজ্যই বেকারত্বে শীর্ষে। বিজেপিশাসিত বিহার, রাজস্থান, অসম, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা ও ছত্তিশগড়ে বেকারত্ব পাহাড় ছুঁয়েছে। এটা বলছে কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যানই।

সারা দেশে বেকারত্ব যখন ভয়াবহ চেহারা নিয়েছে, তখন বাংলায় এই জ্বলন্ত সমস্যার মাত্রা তুলনামূলক অনেক কম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা বিগত ১৫ বছরে বেকারত্বের হার কমিয়েছে তাৎপর্যপূর্ণভাবে। নরেন্দ্র মোদি সরকারের রিপোর্টই বলছে, বাংলায় বেকারত্বের হার জাতীয় গড়ের তুলনায় অনেক কম। ভারতের জাতীয় গড় যেখানে ৪.৮ শতাংশ, সেখানে বাংলায় বেকারত্বের হার কমে মাত্র ৩.৬ শতাংশ। আর বিজেপি রাজ্যগুলির দিকে তাকালে চোখ কপালে উঠবে। বিজেপির রাজস্থান বেকারত্বের হার সবথেকে বেশি ৮.৫ শতাংশ। পিছিয়ে নেই বিহার (৭.৭ শতাংশ), অসম (৮.৫ শতাংশ), উত্তরপ্রদেশ (৬.১ শতাংশ), ওড়িশা (৬.২শতাংশ) এবং ছত্তিশগড় (৭.৮ শতাংশ)। আরও পড়ুন: ‘চোর’ অপবাদে ৪ নাবালককে বেধড়ক মার বিজেপি নেতার! সরব তৃণমূল

কেন্দ্র পরিচালিত সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলার শহরে মহিলা বেকারত্বের হার ৫.১ শতাংশ, সেখানে জাতীয় হার ৯ শতাংশ। বাংলায় শহুরে পুরুষ বেকারত্বের হার ৪.৫ শতাংশ, জাতীয় গড় ৫.৯ শতাংশ। শহরে সামগ্রিক বেকারত্ব বাংলায় ৪.৬ শতাংশ, সেখানে সর্বভারতীয় হার ৬.৭ শতাংশ। রাজ্যে গ্রামাঞ্চলে বেকারত্বের হার ৩.১ শতাংশ, জাতীয় গড় সেখানে ৪ শতাংশ। গ্রামীণ বেকার পুরুষ বাংলায় ৩.৪ শতাংশ, জাতীয় গড় ৪.২ শতাংশ। বাংলায় মহিলা বেকার ২.৫ শতাংশ, সেখানে জাতীয় গড় ৩.৬ শতাংশ। আরও পড়ুন: ‘চোর’ অপবাদে ৪ নাবালককে বেধড়ক মার বিজেপি নেতার! সরব তৃণমূল

কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যন ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রকের ‘পিরিওডিক লেবার ফোর্স সার্ভে’র ত্রৈমাসিক রিপোর্টে যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে বিজেপির মুখ পুড়বে। আসলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেকারত্ব কমাতে স্বনির্ভর প্রকল্প থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র-ছোট ও মাঝারি শিল্পে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। আর বিজেপি শুধু বাংলার নামে কুৎসা করে বেড়িয়েছে। নিজেদের রাজ্যে কোনও সুষ্ঠু পরিকল্পনা নেই, বাংলার দোষ খুঁজতেই ব্যস্ত বিজেপি। যাবতীয় অপপ্রচার উড়িয়ে বাংলার মা-মাটি-মানুষের সরকার যুবসমাজের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে বেকারত্বের হার কমাতে সমর্থ হয়েছে। গত ১৫ বছরে রাজ্যে নিবন্ধিত বা রেজিস্টার্ড কোম্পানির সংখ্যা সেই কারণেই ২.৫ লক্ষেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

Related articles

ভোটের বঙ্গে চড়ছে পারদ, উর্ধ্বমুখী উষ্ণতায় হাঁসফাঁস দশা দক্ষিণবঙ্গে!

রাজ্যে আজ প্রথম দফার নির্বাচন (West Bengal Election)। গণতান্ত্রিক উৎসবের দিনেই চোখ রাঙাচ্ছে প্রকৃতি (Weather update)। একদিকে দক্ষিণবঙ্গের...

প্রথম দফা নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত অশান্তি রাজ্যে, পরিস্থিতির দিকে নজর তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের

বৃহস্পতিবার সকাল সাতটা থেকে রাজ্যের ১৫২ টি বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে প্রথম দফার ভোট উৎসব। সময় যত গড়িয়েছে...

বাংলার বিধানসভা ভোট দেখতে রাজ্যে ১৭ দেশের প্রতিনিধি দল

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের আবহে এবার আন্তর্জাতিক নজরদারি। বাংলার বিধানসভা ভোট খতিয়ে দেখবেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের(Election Commission) বিদেশি 'অতিথি'...

নির্বাচনী প্রচারে আজ ভবানীপুর-যাদবপুরে মমতা, মেটিয়াবুরুজে জনসভা অভিষেকের

আজ বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় সকাল থেকে চলছে ভোটগ্রহণ পর্ব। একদিকে যেমন ১৫২ টি কেন্দ্রের দিকে নজর...