Tuesday, June 2, 2026

সবস্তরে বাংলা ভাষাকে রক্ষা করতে হবে: একুশে ফেব্রুয়ারির প্রাক্কালে বার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেকের

Date:

Share post:

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে স্বাধীন বাংলাদেশে নতুনভাবে স্থায়ী প্রশাসন গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন বিএনপি (BNP) চেয়ারপার্সন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ বহু প্রত্যাশা নিয়ে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার অপেক্ষা করছেন। সেই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শহিদ দিবস তথা ভাষা দিবসের (International Mother Language Day) প্রাক্কালে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা তারেকের। একদিকে ভাষার বিভিন্নতাকে রক্ষা করার বার্তা ও অন্যদিকে বাংলা ভাষাকে (Bengali language) রক্ষার বার্তা দিলেন তিনি।

গণ অভ্যুত্থানের পরে যে অরাজকতার পরিবেশ বাংলাদেশে তৈরি হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে, তাতে আক্রান্ত বাংলা ভাষাও। মুজিবর রহমানের (Mujibar Rahman) ধানমণ্ডির বাড়ি নতুন করে ভেঙে আগুন লাগিয়েছিল বিক্ষুব্ধদের একাংশ। আক্রান্ত হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (Rabindranath Tagore) সিরাজগঞ্জের বাড়ি। ঢাকা শহরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে সংস্কৃতির পীঠস্থান ছায়ানটে (Chhayanaut)।

বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে এই অরাজকতার পরিস্থিতি থেকে মুক্তির উপায় হিসাবে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষার দাবি বাংলাদেশের মানুষ জানিয়েছেন। কার্যত তাতেই সমর্থন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। একই সঙ্গে স্বীকৃতি দিলেন মুক্তিযুদ্ধকেও। বিবৃতি প্রকাশ করে তিনি জানান, একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা যে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে হয়েছিল, তার পথ রচিত হয়েছিল এই একুশে ফেব্রুয়ারির আত্মত্যাগের মাধ্যমে। বাংলাদেশের এই সংগ্রামকেই ইউনেস্কো (UNESCO) স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছিল। যার ফলে গোটা বিশ্বে এখন ভাষার বিভিন্নতার স্বীকৃতিতে একুশে ফেব্রুয়ারিকে (21 February) স্মরণ করা হয়। এই দিনটি সেই বিভিন্নতার মধ্যে স্বীকৃতির প্রতীক হয়ে রয়েছে।

আরও পড়ুন : বাবরের নামে স্থাপত্য নির্মাণ বন্ধের আবেদন শুনল না সুপ্রিম কোর্ট, মামলা প্রত্যাহার 

সেই বাংলাদেশেই ভাষার বিভিন্ন ও সংস্কৃতিকে রক্ষার বার্তাই একুশে ফেব্রুয়ারির (21 February) প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি জানান, একুশে ফেব্রুয়ারির মূল বক্তব্য ছিল গণতন্ত্রকে মূল্য দেওয়া, নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সাম্যবাদকে নিশ্চিত করা। তাই এই বিশেষ দিনটিতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে বিশ্বজুড়ে ভাষার ঐতিহ্য রক্ষায়। আমাদের দেশে বিভিন্ন ভাষাকে রক্ষা করতে হবে। সেই সঙ্গে রক্ষা করতে হবে আমাদের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার ও উৎকর্ষতা বৃদ্ধিকে নিশ্চিত করতে হবে।

Related articles

ধর্না কর্মসূচিতে আচমকা অসুস্থ কুণাল, মাথায় হাত বুলিয়ে হাওয়া করলেন মমতা

ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের (Mamata Benarjee) ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়লেন বেলেঘাটার...

ভক্তিতেই আস্থা, আইপিএল জয়ের পরই প্রেমানন্দ মহারাজের দরবারে বিরুষ্কা

আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েই বৃন্দাবন সফরে বিরাট কোহলি অনুষ্কা শর্মা(Anushka Sharma and Virat Kohli )। বৃন্দাবনে স্বামী প্রেমানন্দ মহারাজের((Premanand...

বকেয়া DA মেটাতে বড় পদক্ষেপ নবান্নের! জারি নির্দেশিকা

প্রতিশ্রুতি মত রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং ফ্যামিলি পেনশনভোগীদের প্রাপ্য বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) মিটিয়ে দিতে রাজ্য সরকার...

বুধবার থেকেই সূচনা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র, ভার্চুয়াল উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের নতুন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’-র (Annapurna Vander) আনুষ্ঠানিক সূচনা হতে চলেছে বুধবার। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টায়...