সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্যের লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির আওতায় আসা ভোটারদের নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা। কলকাতা হাই কোর্ট সেই প্রক্রিয়া শুক্রবারই শুরু করেছিল। সেই মতো শনিবারই কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের (Chief Justice Sujoy Pal) নেতৃত্বে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব (Chief Secretary), ডিজিপি, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকসহ অ্যাডভোকেট জেনারেল, অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল, নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা বৈঠকে বসেন। সেই মতো রাজ্যের সব জেলা দায়রা আদালতের বিচারকদের সঙ্গে বৈঠকও করেন প্রধান বিচারপতি। কলকাতা হাই কোর্ট সূত্রে খবর, সোমবার থেকেই রাজ্যের প্রায় ১৫০ জেলা বিচারক ও সাত প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এসআইআর-এর (SIR) কাজে নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) সাহায্য করবে।

শনিবারই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে যে বৈঠক হয় সেখানে নিশ্চিত হয় গোটা রাজ্যের বিচার ব্যবস্থাকেই এসআইএরের লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি (logical discrepancy) সমস্যা সমাধানে কাজে লাগানো হবে। এই সিদ্ধান্তের পরই রাজ্যের সব বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের ছুটি ৯ এপ্রিল পর্যন্ত বাতিল করা হয়।

প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বৈঠকের পরই রাজ্যের সব জেলা দায়রা আদালতের বিচারকদের সঙ্গেও একটি ভার্চুয়াল বৈঠক হয় বলে আদালত সূত্রে জানা যায়। শনিবারের বৈঠকে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি সমস্যা সমাধানে কোনও আলাদা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রতিটি জেলার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে। রাজ্যের প্রায় ১৫০ বিচারক এই কাজ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করবেন বলে শোনা গিয়েছে।

আরও পড়ুন : পোর্টালে ERO-দের অ্যাক্সেস বন্ধ, বড় নির্দেশ খোদ CEO-র! চ্যাট ফাঁস অভিষেকের

নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরিতে ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব এলডি সমস্যা সমাধান সম্ভব কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। এপ্রিল পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের ছুটি বাতিলে সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে। রাজ্যের বিচারকদের বিচার বিভাগের নিয়ম মেনে এই কাজ সম্পন্ন করতে সাতজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির প্রসঙ্গও আসে। তবে কোন সাতজন বিচারকদের কাজের তদারকি করবেন, তা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানানো হয়নি।


