Site Logo

পোর্টালে ERO-দের অ্যাক্সেস বন্ধ, বড় নির্দেশ খোদ CEO-র! চ্যাট ফাঁস অভিষেকের

EBBS Desk·
পোর্টালে ERO-দের অ্যাক্সেস বন্ধ, বড় নির্দেশ খোদ CEO-র! চ্যাট ফাঁস অভিষেকের
নির্বাচন কমিশনের নিজের তৈরি করা নিয়ম থেকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ। সব নিয়মের তোয়াক্কা না করে এবার কমিশনের পোর্টালে রাজ্যে ইআরও-দের সব ক্ষমতা অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেওয়া হল। হোয়াটসঅ্যাপ কমিশনের জমানায় খোদ রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal, CEO) কমিশনের সেই নির্দেশ জানালেন রাজ্যের জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের। হোয়াটসঅ্যাপ (whatsapp) কমিশনের সেই সব চ্যাট (chat) ফাঁস করে ফের একবার বাংলার এসআইআর (West Bengal SIR) প্রক্রিয়ায় কীভাবে দিল্লি থেকে তার টেনে বাংলার ন্যায্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে কমিশন, প্রকাশ করলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বাংলার এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন মামলায় বিস্মিত খোদ দেশের শীর্ষ আদালত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে সাংবিধানিক সংস্থা নির্বাচন কমিশনের মধ্যে বিশ্বাসহীনতা নিয়ে শুক্রবারই প্রশ্ন তুলেছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর বেঞ্চ। সেই অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের একের পর এক অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপের জন্যই যে কতটা সত্য তা ফের শনিবারই প্রমাণ হয়ে গেল। নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে এইআরও-দের (AERO) কাজ তদারকি করার জন্য যে অ্য়াক্সেস (access) ইআরও-দের (ERO) দেওয়া ছিল, তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন জেলা নির্বাচনী আধিকারিকরা। তাঁরা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে জানান বিষয়টি। তাতে মনোজ আগরওয়াল জবাব দেন, ইআরও-দের এই অ্যাক্সেস থাকার কথা ছিল না। তাঁদের এইআরও-দের কাজের উপর নজরদারি করার কথা নয়। নির্বাচন কমিশন এই নির্দেশ জারি করে যে আইন ও নিজেদের তৈরি করা তিন নিয়ম ভাঙছে, তা স্পষ্ট করে দেন অভিষেক। তাঁর তুলে ধরা যুক্তিগুলির প্রথমত, নির্বাচন কমিশন যে নাগরিক প্রতিনিধিত্ব মেনে চলে তার ১৩-বি ধারা অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি হয় একজন ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের (ERO) অধীনে। সেই সঙ্গে এই নিয়মের ১৩-সি ধারা অনুযায়ী সব এইআরও পদমর্যাদার আধিকারিকরা ইআরও বা ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের অধীনে কাজ করেন। নির্বাচন কমিশন পোর্টালে (Election Commission portal) ইআরও-দের অ্যাক্সেস বন্ধ করে দিলে সেই আইন ভাঙা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের এসআইআর মামলায় ৬ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ জারি করেছে লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি (LD) বা আনম্যাপড ভোটারের ক্ষেত্রে যে নথি জমা করেছেন সংশ্লিষ্ট ভোটাররা, তা যাচাই করার ক্ষমতা ও তাঁদের ভোটার তালিকায় রাখার কাজ করবেন ইআরও-রা। কমিশন সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশও ভাঙছে। তৃতীয়ত, নির্বাচন কমিশন ২০২৫ সালের জুন মাসে নিজেরাই যে নির্দেশিকা জারি করেছিল, সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছিল যাতে কোনও ন্যায্য ভোটার ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়েন ও কোনও অন্যায্য ভোটার ভোটার তালিকায় যাতে না থাকে তার দায়িত্ব একজন ইআরও-র (ERO)। সেই নির্দেশিকাও ভাঙছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। গোটা প্রক্রিয়ার কারচুপি চ্যাটের মধ্যে যেভাবে ফুটে উঠেছে, তা তুলে ধরে অভিষেকের দাবি, ইচ্ছাকৃত এই তিন বেনিয়ম করে নির্বাচন কমিশন এমন একটি জমি তৈরি করছে যেখানে তারা ইচ্ছা অনুযায়ী ও বেআইনিভাবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে পারবে এবং তা এইআরও-দের ঘাড়ে দায় চাপানো যাবে। আরও পড়ুন : শেষ হবে না SIR-এর কাজ: আতঙ্কে গঙ্গায় ঝাঁপ প্রধান শিক্ষক বিএলও-র! যে চ্যাট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তুলে ধরেছেন, তাতে স্পষ্ট জাতীয় কমিশনের নির্দেশিকাই জেলা আধিকারিকদের উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। অভিষেক দাবি করেন, যখন ইআরও-দের এই সমস্য়া নিয়ে ডিইও-রা (DEO) সিইও-কে জানাচ্ছেন তখন তিনি সামন্তপ্রভুর মতো সেই অভিযোগ খারিজ করে দিচ্ছেন যা একটি সংসদীয় প্রতিষ্ঠানে কখনই দেখা যায় না। এটা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশন যে বাবু সংস্কৃতির প্রচলন করেছে এবং যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তারা ভর্ৎসিত হয়েছে, সেই সংস্কৃতিরই প্রমাণ। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে অভিষেকের সতর্কবার্তা, যেন বাংলার মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে কেউ ঈশ্বরের ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা না করেন। যে বাংলা-বিরোধী জমিদাররা একটি তার টেনে বাংলার মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করবেন, তাঁরা আইনের দুয়ারে যেমন ভর্ৎসিত হবেন, তেমনই জনতার আদালতেও জবাব পাবেন। -

Sponsored

Sranchi In Article

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →