ভোটের আগে ঢিলেমি নয়! শহরের রাজপথে দৃশ্যমানতা বাড়াতে তৎপর কলকাতা পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৮টায় পথে নেমে শহর কলকাতা ঘুরে দেখলেন নগরপাল সুপ্রতিম সরকার। ধর্মতলার মোড়, পার্ক স্ট্রিট মোড়ের মত কয়েকটি স্পর্শকাতর জায়গায় গাড়ি ধরে ধরে নাকা তল্লাশি দেখতে নামেন তিনি। শহরের নিরাপত্তা ও পুলিশি পরিষেবার বাস্তব চিত্র জানতে কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার একটু অন্য পথ অবলম্বন করেছেন প্রথম থেকেই। কোনও প্রোটোকল, সরকারি গাড়ি বা দেহরক্ষী ছাড়া একেবারে সাধারণ নাগরিকের মত ছদ্মবেশে গভীর রাতে শহরের একাধিক থানায় ঢুকে পড়েছিলেন তিনি কয়েক সপ্তাহ আগেই। রাতে থানায় আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশকর্মীরা কেমন আচরণ করছেন, অভিযোগ গ্রহণে কতটা তৎপরতা সেটা নিজের চোখে দেখেছিলেন সুপ্রতিম সরকার।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুপ্রতিম সরকার বলেন, “শহরে পুলিশ সব সময়ে সজাগ থাকে। রুটিন টহলদারি চলে এটাও তারই অংশ। নাকা চেকিংও চলবে। প্রয়োজনে আরো বাড়বে। কোন নির্দিষ্ট দিন নয়, যেকোন দিন যেকোন সময়ে এসি, ডিসি, ওসি, পুলিশকর্মীরা পথে থাকবেন। আগাম না জানিয়ে যে কোনও সময়েই এটা ঘটতে পারে। সারপ্রাইস এলিমেন্ট থাকবেই। দুষ্কৃতীরা মনে করে কোন একটা সময়ে পুলিশ থাকবে কিন্তু সেই ধারণাটাই ভুল প্রমান করতে হবে। যেকোন সময়েই পুলিশের নজরে তারা আসতে পারে। শহর নিরাপদ রাখতে এটাই পদক্ষেপ। বৃহস্পতিবার রাতে ১০৯টি জায়গায় ১০টি ডিভিশনে সক্রিয় ছিল পুলিশ। রাস্তায় পুলিশ দেখতে পেলে সাধারণ মানুষ নিরাপদ বোধ করবে এবং আস্থাও বাড়বে।”

এরপরেই তিনি শহরে বোমাতঙ্কের বিষয় নিয়ে বলেন, ”খবর পেলে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সেটাই নেওয়া হয়েছে। কিন্তু দেখা গিয়েছে এটি ভুয়ো হুমকি মেল। কে বা কারা করেছে দেখছি।”

আরও পড়ুন- ‘স্বনির্ভর বাংলা’র শেষ দিনে উপচে পড়া ভিড়, যুবসাথীর আবেদন ৮৪ লক্ষ ছুঁইছুঁই

_

_

_

_

_

_
_
_


