বিচার ব্যবস্থার বদনাম করার চেষ্টা করে সুপ্রিম কোর্টে প্রবল ভর্ৎসিত কেন্দ্রের শিক্ষা দফতর। কোথা থেকে বিচার ব্যবস্থা নিয়ে এমন একটি অধ্যায় অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যে ঢোকানো হল, তা নিয়ে এখন কেন্দ্রের শিক্ষা মন্ত্রককেই (Ministry of Education) দায় ঠেলাঠেলি শুরু। তার মধ্যেই নতুন সমস্যায় কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক তথা এনসিইআরটি (NCERT)। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে সরিয়ে ফেলতে হবে বিতর্কিত অধ্যায়ের সব রকম কপি। ফলে এখন দেশের মানুষের কাছে ওই সংক্রান্ত কোনও কপি থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করে হন্যে হয়ে খুঁজছে এনসিইআরটি।

যেভাবে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যে বিচার ব্যবস্থার দুর্নীতি বিষয়টি সংযোজন করা হয়েছিল, তাকে উদ্দেশ্যমূলক বলেও পর্যবেক্ষণে দাবি করেছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত (CJI Surya Kant)। কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের হাত থেকে গুলি বেরিয়ে গিয়েছে, যে গুলিতে রক্তাক্ত বিচার ব্যবস্থা, এমনও পর্যবেক্ষণে জানানো হয়েছে। তার পরেই সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে দায় শিক্ষা মন্ত্রকের উপর চাপানোর পথে হেঁটেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর দেখাদেখি শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও (Dharmendra Pradhan) দাবি করেছেন দোষীদের খুঁজে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন : বিচার বিভাগ রক্তাক্ত, ক্ষমা যথেষ্ট নয়: বিতর্কিত NCERT-র বই নিষিদ্ধ করে জানাল সুপ্রিম কোর্ট

সেখানেই প্রশ্ন উঠেছে, বিজেপির শীর্ষ নেতা বা শিক্ষা মন্ত্রকের সম্মতি ছাড়াই কী তবে এনসিইআরটি বইতে এত বড় অধ্যায় ছেপেছিল? না কি এখন বিপদে পড়ে পিঠ বাঁচাচ্ছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা? তবে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) নির্দেশ দিয়েছে ওই অধ্যায়ের সবরকম কপি বাজার থেকে তুলে নিতে হবে। ফলে বিপাকে এনসিইআরটি (NCERT)। কোথাও ডিজিটাল ফর্ম্যাটে, কোথাওবা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির আকারে ছড়িয়ে পড়েছে বিতর্কিত অধ্যায়ের অংশ। সেগুলি সব মাধ্যম থেকে মুছে ফেলাই এখন চ্যালেঞ্জ এনসিইআরটি ও শিক্ষা মন্ত্রকের।

–

–

–

–

–

–
