দেশের শীর্ষ আদালতে রাজ্যের এসআইআর মামলায় একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির ভুল ধরেছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি (Justice Joymalya Bagchi)। একজন বাঙালি হওয়ার সুবাদে বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ব্যানার্জি-র মধ্যে যে কোনও ফারাক নেই, তা বুঝতে এতটুকু সময় নেননি বিচারপতি বাগচি। আর সেই মামলাতেই বাংলার হয়ে লড়াই করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী (Menaka Guruswamy)। যিনি আবার বাংলা থেকেই রাজ্যসভার সাংসদ। তাই এবার মেনকারও যে বাংলা শেখাটা জরুরী, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) শুনানি শেষে হালকা মেজাজে উপদেশ বিচারপতি বাগচির।

মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে বাংলার এসআইআর মামলায় আরও একবার নির্বাচন কমিশনের ভুল ধরিয়ে দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত থেকে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ভুল পথে এসআইআর (SIR) এবং তার অ্যাডজুডিকেশন মামলাগুলির নিষ্পত্তিতে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের (judicial officer) সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। এক্ষেত্রে যে বাংলার সংস্কৃতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের অজ্ঞতাই প্রমাণ হয়, তাও স্পষ্ট করে দেন তাঁরা। দীর্ঘ আলোচনা শেষে বাংলার মানুষের ন্যায্য ভোটাধিকার রক্ষার বার্তা দেয় খোদ সুপ্রিম কোর্ট।

তবে মামলার শুনানি শেষে এজলাসে যেন ছোট্ট বাঙালি আড্ডা। সদ্য বাংলা থেকে রাজ্যসভার (Rajyasabha) সাংসদ (TMC MP) হয়েছেন মেনকা গুরুস্বামী। বাংলার মানুষের জন্য তাঁর লড়াইয়ের স্বীকৃতিতেই অন্ধপ্রদেশের বাসিন্দা হলেও বাংলা থেকে তাঁকে এই সম্মান দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে তাঁরও বাংলা (Bengali language) শেখাটা যে জরুরি, স্মরণ করিয়ে দেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি (Justice Joymalya Bagchi)।

আরও পড়ুন : ভোটার তালিকা থেকে নাম বাতিল: ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে শুনানির নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

অত্যন্ত পরিশ্রমী, নিষ্ঠাবান আইনজীবী হিসাবেই পরিচিত মেনকা গুরুস্বামী। সেই সঙ্গে বাংলার এসআইআর মামলায় বারবার যেভাবে বাংলার মানুষ এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য দেশের শীর্ষ আদালতে সোচ্চার হয়েছেন মেনকা, তিনি বাংলার সাংসদ হওয়ার পর বাংলা যে শিখবেনই, তা বলাই বাহুল্য। বিচারপতি বাগচির ছোট্ট উপদেশে মেনকার জবাব, আমি সেই চেষ্টাই করছি।

–

–

–

–

–

