সারা দেশে রান্নার গ্যাসের হাহাকার নিয়ে সংসদে ঝড় তুলল তৃণমূল (TMC)। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় লোকসভায় অধিবেশন শুরুর পরে “এলপিজি গায়েব মোদি গায়েব” স্লোগান তুলে স্টিলের ছোট হাতা, খুন্তি, প্যান বাজিয়ে অভিনব বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল সাংসদরা। একইসঙ্গে এলপিজি, এলপিজি স্লোগান তুলে তীব্র প্রতিবাদ জানান তৃণমূল মহিলা সাংসদরা। পাশে ছিলেন কংগ্রেস (Congress), সপা (SP), ডিএমকে (DMK)-সহ বাকি বিরোধী সাংসদরা। 

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি ভারতে। একই সঙ্গে অমিল LPG। এর প্রতিবাদে এদিন সংসদের বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিরোধী দলের সাংসদরা। এদিন সংসদে মকরদ্বারের সামনে ধর্নার নেতৃত্ব দিতে দেখা য়ায় তৃণমূল (TMC) সাংসদদের। হাঁড়ি. কড়াই, এলপিজি সিলেন্ডাররের কার্ট আউট হাতে মোদি সরকারের মিথ্যাচারের অভিযোগে সরব হন তৃণমূল-সহ বাকি বিরোধী সাংসদরা। “এলপিজি গায়েব মোদি গায়েব” স্লোগান তুলে স্টিলের ছোট হাতা, খুন্তি, প্যান বাজিয়ে অভিনব বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। তৃণমূলের তীব্র প্রতিবাদের জেরে দফায় দফায় সংসদ অধিবেশন মুলতবি হয়ে য়ায়। তৃণমূলের বাপি হালদার ও সাগরিকা ঘোষ এলপিজি গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বিরোধিতায় “মোদি সরকার লজ্জা লজ্জা” স্লোগান দেন। বাকি I.N.D.I.A. ব্লকের বিরোধী শিবিরের সাংসদরাও স্লোগান দিতে শুরু করেন। 

এদিন মোদি সরকারের মিথ্যাচার নিয়ে তীব্র নিশানা করে তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা সাগরিকা ঘোষ বলেন, এলপিজির দাম হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, সরকার কেন এত দিন ধরে অস্বীকার করছিল? কেন সরকার বারবার বলে আসছিল যে “সব কিছু ঠিক আছে”! সরবরাহ পর্যাপ্ত ছিল এবং সবকিছু নিয়ন্ত্রণে ছিল! কেন তারা এলপিজি মজুত করেনি বা বিকল্প সরবরাহের ব্যবস্থা করেনি? কেন নাগরিকদের কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে, এবং কেন সরকার তাদের উদ্বেগের কথা শুনছে না? কেন প্রতিবার জাতীয় সংকটের সময় প্রধানমন্ত্রী নিখোঁজ হন, নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেন এবং বিরোধীদের আক্রমণ করেন, কিন্তু প্রশ্নের উত্তর দিতে সংসদে আসেন না? যখনই জাতীয় সংকট দেখা দেয়, প্রধানমন্ত্রী প্রচারণায় বের হন। তিনি সংসদে প্রশ্নের উত্তর দেন না, সরকার সেখানে এই বিষয়ে আলোচনার অনুমতি দেয় না। 

–

–

–

–

–

–

–
–


