পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব যখন বিশ্বজুড়ে অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে, ঠিক সেই সময় কিউবাকে (Cuba Crisis) ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। মার্কিন প্রশাসনের তেল অবরোধের জেরে ইতিমধ্যেই চরম জ্বালানি সঙ্কটে পড়েছে কিউবা। যুদ্ধের জেরে ভেঙে পড়েছে কিউবার জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড, যার ফলে বহু মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছেন। এইবার কিউবাকে নিয়েই হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সোমবার ট্রাম্প জানান, কিউবাকে নিয়ে তিনি যা খুশি করতে পারেন!

সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে হোয়াইট হাউজ থেকে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে জানা, “সারাজীবন আমি আমেরিকা ও কিউবা নিয়ে আমি অনেক কথা শুনে এসেছি। কিন্তু আমেরিকা এই পদক্ষেপ কবে নেবে? আমি বিশ্বাস করি, কিউবা দখলের সম্মান আমারই হবে। আমি একে মুক্ত করি বা দখল করি—আমি যা চাই তা-ই করতে পারি।” সূত্রের খবর, সম্প্রতি কিউবার সঙ্গে আলোচনায় মার্কিন প্রশাসন হাভানাকে প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল-কে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরামর্শও দিয়েছে। যদিও কিউবার তরফে বারবারই বলা হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনও বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিউবার উপর চাপ বাড়াতে ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলার তেল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে ওয়াশিংটন। পাশাপাশি অন্য দেশগুলিকেও কিউবাকে তেল বিক্রি না করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে কিউবা কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আরও পড়ুন: কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানি বিমান হামলা, মৃত অন্তত ৪০০!

এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহলের একাংশের অভিযোগ, কিউবাকে ঘিরে মার্কিন প্রশাসনের এই অবস্থান আসলে শক্তিপ্রদর্শনের রাজনীতি এবং একধরনের ‘দাদাগিরি’। দীর্ঘদিনের রেষারেষির আবহে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

–

–

–

–

–

–

–

