“৭০ হাজার ভোটে জয়ী হয়ে সেই ভোট মুখ্যমন্ত্রীকে আমি উপহার তুলে দেব।” চতুর্থবার মিনাখাঁ বিধানসভা থেকে তৃণমূলের (TMC) প্রার্থী হয়ে এমনটাই জানালেন মিনাখাঁর তিনবারের বিধায়ক ঊষারানি মণ্ডল (Usharani Mandol)। মিনাখাঁতে পুরনো মুখেই আস্থা শাসক-শিবিরের।

২০১১, ২০১৬ ও ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বিধায়কের দায়িত্ব সামলেছেন ঊষা রানি (Usharani Mandol)। মিনাখাঁ ব্লকের ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও হাড়োয়া ব্লকের ৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত অর্থাৎ মোট ১২টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। বিগত বিধানসভা ভোটে নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী জয়ন্ত মণ্ডলকে ৫৫ হাজার ৮৩০ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন ঊষা রানি মণ্ডল। পাশাপাশি ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে প্রায় ৭২ হাজার ভোটে মিনাখাঁ বিধানসভায় লিড ছিল শাসক দলের।

চতুর্থবার বিধানসভার টিকিট পেয়ে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাব। যেভাবে মিনাখাঁজুড়ে উন্নয়নের কাজ চলছে আগামী দিনেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে।” ঊষা রানির স্বামী তথা মিনাখাঁ বিধানসভা তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের পরিষদীয় দলনেতা মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল বলেন, “বিদ্যাধরী নদীতে কেমিক্যাল যুক্ত জল মিশে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষতির মুখে পড়ছেন মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে মাছের ভেঁড়ির মালিকরা। সঠিক ভাবে লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না। আমি ব্যক্তিগতভাবে সুন্দরবন উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছি। যাতে বিদ্যাধরী নদীর জলকে প্রস্তুত করা যায় এবং আগামী দিনে নদীকে পরিস্রুত রাখার জন্য সব রকম চেষ্টা করবো।” তিনি আরও বলেন, “আইএসএফ নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা কিছু ঝামেলা গন্ডগোল করার চেষ্টা করছেন। তাঁদেরকেও বলব যেভাবে শাসকদল উন্নয়ন করে চলেছে দিনের পর দিন তাঁরা বুঝুন। শাসকদলের গুরুত্ব সম্পর্কে জানুন। কারণ আইএসএফ বা বিজেপির কোনো রকম ভবিষ্যৎ এই বাংলায় নেই।”

তৃণমূলের মতে, “তাই মূল প্রতিপক্ষ হিসাবে কাউকেই এখনও মিনাখাঁ বিধানসভাতে দেখা যাচ্ছে না। যুদ্ধের মাঠে কাউকেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আগামী বিধানসভা নির্বাচনেও তৃণমূল কংগ্রেস মিনাখাঁ বিধানসভা থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হবে।”

–

–

–

–

–

–

