এদিকে পুলিশ-প্রশাসনে রদবদল, আরেক দিকে একের পর কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। শুধুমাত্র প্রথম দফার জন্যই ১৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন (Central Force) করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বাংলায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে। পুলিশকে (Police) সঙ্গে এলাকায় এলাকায় টহল দিচ্ছে বাহিনী।

২৩ ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দু-দফায় বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। তার জন্যে মোট আড়াই হাজার বাহিনী মোতায়েন করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। তবে, বিপুল সংখ্যক বাহিনী (Central Force) কবে আসবে তার নির্দিষ্ট সময় জানাতে পারেনি সিইও দফতর। ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রথম দফার জন্যে আরও ১৯২০ কোম্পানি আসছে। নির্বাচন কমিশনের মতে, প্রত্যেক ভোটার নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি, রাজ্যের সীমানায় ৯৬টি নাকাচেকিং পয়েন্ট করা হয়েছে। বাংলার বিভিন্ন জায়গায় ৫৭১টি জায়গায় নাকাচেকিং চলছে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

তবে, যেখানে কেন্দ্রের কারণে রান্নার গ্যাসের সমস্যা, সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে- সেখানে এত বাহিনীর খাবার কোথা থেকে আসবে- বৃহস্পতিবার প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, আগের নির্বাচনের বকেয়া টাকা এখনও দেয়নি কেন্দ্র।

–

–

–

–

–

–

–

