ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই শহরে কাশি, সর্দি ও জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দিন ও রাতের তাপমাত্রার বড় পার্থক্য এবং আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে একাধিক ভাইরাস সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অ্যাডেনোভাইরাস, মেটাপনিউমোভাইরাস ও রাইনোভাইরাস।

চিকিৎসকদের মতে, এই ভাইরাসগুলি মূলত শ্বাসনালীর উপরের অংশে সংক্রমণ ঘটায়। ফলে তীব্র কাশি, গলা ব্যথা, নাক দিয়ে জল পড়া, হালকা জ্বর, শরীর ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। অনেকের ক্ষেত্রে শ্বাসনালীর প্রদাহের কারণে দীর্ঘদিন শুকনো কাশি থাকছে। আবার অনেকের কণ্ঠস্বর বসে যাওয়া বা ভেঙে যাওয়ার সমস্যাও দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, এটি এক ধরনের দীর্ঘস্থায়ী ভাইরাল কাশি, যা ২–৩ সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় থাকতে পারে। আরও পড়ুন: নাম বিচারাধীন, ফের আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ উত্তর দিনাজপুরে

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তনের পাশাপাশি শহরের পরিবেশ দূষণও এই সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। ধুলো, ধোঁয়া এবং দূষিত বাতাস শ্বাসনালীর সংক্রমণকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে কাশি দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে এবং অনেকের ক্ষেত্রে কফ জমে শ্বাসকষ্টের সমস্যাও দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, হঠাৎ ঠান্ডা-গরম এড়িয়ে চলা, ধুলো-ধোঁয়া থেকে দূরে থাকা, পর্যাপ্ত জল খাওয়া এবং প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়াই ভালো। কাশি বা জ্বর দীর্ঘদিন থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষ করে যাঁদের অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

–

–

–

–

–

–

–
