বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজার পর যখন সব দলই ময়দানে নেমে পড়েছে, ঠিক তখনই বড়সড় ধাক্কা খেল জাতীয় কংগ্রেস। হাত শিবির ছেড়ে পদ্ম পতাকা হাতে তুলে নিলেন কলকাতার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর সন্তোষ পাঠক। সোমবার সন্ধ্যায় নিউটাউনে বিজেপি-র রাজ্য কার্যালয়ে গিয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত থেকে গেরুয়া পতাকা গ্রহণ করেন তিনি। ভোটের ঠিক মুখে সন্তোষের মতো বর্ষীয়ান নেতার দলত্যাগ মহানগরীর রাজনীতিতে কংগ্রেসের জন্য বড় বিপর্যয় বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগামী ২৩ এবং ২৯ মার্চ রাজ্যে নির্বাচন। হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। বাম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থীরা যখন প্রচার শুরু করেছেন, সেই সময়েই সন্তোষের এই সিদ্ধান্ত চমকে দিয়েছে অনেককেই। সোমবার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে তাঁর নতুন ভূমিকা নিয়ে। বিজেপি সূত্রে খবর, দলের আসন্ন প্রার্থী তালিকায় সন্তোষ পাঠকের নাম থাকার সম্ভাবনা প্রবল। গেরুয়া শিবির এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। মনে করা হচ্ছে, কলকাতাকে পাখির চোখ করে সন্তোষ পাঠককে শহরেরই কোনও একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে প্রার্থী করতে পারে বিজেপি।

এদিন নিউটাউনের কার্যালয়ে সন্তোষকে স্বাগত জানিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, সন্তোষ পাঠকের মতো অভিজ্ঞ জননেতার যোগদানে দল আরও শক্তিশালী হবে। অন্যদিকে, সন্তোষ পাঠকের বিজেপিতে যাওয়া নিয়ে কংগ্রেস শিবিরে শোক ও অস্বস্তি দুইই স্পষ্ট। দীর্ঘকাল ধরে কলকাতার মধ্যভাগে কংগ্রেসের সংগঠন আগলে রেখেছিলেন তিনি। তাঁর এই দলবদল কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কে বড়সড় ধস নামাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


_

_
_

_
_

_
_

