পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আঁচ সরাসরি গ্রীষ্মকালীন বিমান পরিষেবায় (Flight Service) । গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের গ্রীষ্মকালীন সূচিতে (Summer Schedule) ভারতীয় বিমানসংস্থাগুলি (Indian Airlines) সাপ্তাহিক প্রায় ৩,০০০টি কম ফ্লাইট চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। জ্বালানি সাশ্রয় ও বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত ব্যয় কমাতেই এমন চিন্তাভাবনা বলে মনে করা হচ্ছে। যদি এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনও ঘোষণা হয়নি।

ইরানের (Iran) সঙ্গে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাত ২৮ দিনে পড়ল। যুদ্ধ বিরতি সংক্রান্ত নানা ইঙ্গিত নিয়ে জল্পনা বাড়লেও এখনো পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে অনিশ্চয়তা বাড়ছে সবক্ষেত্রে। জ্বালানি সংক্রান্ত ব্যয় বরাদ্দ কমিয়ে এনার্জি সঞ্চয়ের ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছে বিভিন্ন সেক্টরে। পশ্চিম এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে যাত্রী চাহিদা কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা। তাই সবদিক ভেবেচিন্তে বিমান সংস্থাগুলি তাদের গ্রীষ্মকালীন উড়ান সূচিতে (Summer Flight Schedule)bকাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে বলে জানা যাচ্ছে। ২০২৫ সালের সামার সিডিউলে ২৫,৬১০টি সাপ্তাহিক ফ্লাইট চালানো হয়েছিল। এবার ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত যা সূচি তৈরি হয়েছে তাতে আগেরবারের চেয়ে ১২ শতাংশ কমে মোট ২২ হাজার ৬০০টি উড়ান চলবে (সাপ্তাহিক হিসেবে)। ইন্ডিগো এপ্রিল মাসে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট দিয়ে গ্রীষ্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা করছে। জ্বালানি ও বৈদেশিক মুদ্রার খরচ বৃদ্ধিতে ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত সারচার্জ আরোপ করা হলেও তা যথেষ্ট নয় বলে মনে করছে বিমান সংস্থাগুলি। সে ক্ষেত্রে যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধি করা যায় কিনা তা নিয়েও আলোচনা চলছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যদি এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (ATF) দাম বাড়তেই থাকে, সে ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে কিছু পরিষেবা স্থগিতের চিন্তাভাবনা করতে পারে বিমান সংস্থাগুলি। অস্থির পরিস্থিতির কারণে অনেকেই বিনোদনমূলক ভ্রমণের জন্য বুকিং বাতিল করতে শুরু করেছেন। ফলে একদিকে পশ্চিম এশিয়ার অনিশ্চিত যুদ্ধ পরিস্থিতি, বাড়তি খরচ, আবার অন্যদিকে সম্ভাব্য চাহিদা হ্রাসের প্রভাব পড়ছে ভারতীয় বিমান পরিবহনে।

–

–

–

–

–

–

–
–
