উন্নয়নের খতিয়ান নিয়ে খোলা ময়দানে বিতর্কের চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার রাজগঞ্জের আমবাড়ি সুদামগঞ্জের ময়দানে তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্না বর্মনের সমর্থনে এক জনসভায় যোগ দেন তিনি। সেখান থেকেই বিজেপি নেতাদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, আপনারা যদি উন্নয়নের নিরিখে লড়াই করতে চান, তবে রাজগঞ্জের যে কোনও মাঠ বেছে নিন। একদিন আগে জানালে আমি আমার রিপোর্ট কার্ড নিয়ে পৌঁছে যাব। তৃণমূলের উন্নয়নের কাছে আপনারা ভোকাট্টা হয়ে মাঠের বাইরে চলে যাবেন।

এদিন আগাগোড়া আক্রমণাত্মক মেজাজে পাওয়া গিয়েছে অভিষেককে। বিজেপিকে ‘ভোটপাখি’ বলে কটাক্ষ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ১২ বছরে রাজগঞ্জের মাটির জন্য মোদি সরকার কী কাজ করেছে তার খতিয়ান দিক বিজেপি। জনসভার ভিড় দেখে তাঁর দাবি, এই বিপুল সমর্থনই প্রমাণ করছে যে এবার বিজেপি প্রার্থীদের জামানত জব্দ করবে জনতা। জলপাইগুড়ির উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি মনে করিয়ে দেন সার্কিট বেঞ্চ, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এবং দেবী চৌধুরানীর মন্দিরের কথা। একই সঙ্গে রাজগঞ্জের মানুষের জন্য বড় প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। অভিষেক জানান, তৃণমূল চতুর্থবার ক্ষমতায় এলে রাজগঞ্জে ফায়ার স্টেশন এবং একটি হিমঘর তৈরি করা হবে।

রাজগঞ্জের প্রার্থী স্বপ্না বর্মনকে ‘ঘরের মেয়ে’ হিসেবে তুলে ধরে অভিষেক বলেন, বিজেপি বহিরাগতদের প্রার্থী করে, আর তৃণমূল পাশে রাখে ঘরের মেয়েকে। স্বপ্নাকে ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটে জেতানোর ডাক দিয়ে তিনি বলেন, তৃণমূলের শক্তি নবীন ও প্রবীণের সহাবস্থান। রাজগঞ্জের অভিভাবক খগেশ্বর রায় আগামী দিনে স্বপ্নাকে পথ দেখাবেন।

প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে রেলের এনওসি সংক্রান্ত জটিলতা এবং আইনি লড়াইয়ের প্রসঙ্গ টেনে বিজেপিকে কড়া ভাষায় বিঁধেছেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, এক অমানবিক দল বাবার মৃত্যুর পর একটি মেয়েকে কোর্টের দরজায় দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হয়েছে। অভিষেক বলেন, বিজেপি মানুষের চোখে জল চায়, আর তৃণমূল চায় মানুষের মুখে হাসি। তাই বুথের লাইনে দাঁড়িয়েই মানুষ ব্যালটে যোগ্য জবাব দেবে।

আরও পড়ুন – শুধু ওটিপি নয়, বাড়ছে নিরাপত্তা স্তর—ডিজিটাল পেমেন্টে নতুন নিয়ম চালু

_

_

_

_
_
_
