ইরানের উপর ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলা পরিস্থিতিতে মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের একাধিক দাবি আগে ইরান করেছে। তবে যুদ্ধবিমান থেকে মার্কিন বায়ুসেনাকে (US Airforce) গ্রেফতারের ঘটনা প্রথমবার, এমনটাই দাবি ইরানের (Iran)। আর তাতেই মার্কিন চাপের মুখে ফের একবার ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ইতিমধ্যেই এক বায়ুসেনাকে (Airforce pilot) ইরানে উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে ইরানের হাতে মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে যে সংশয়ের আশঙ্কা করছিলেন মার্কিন নাগরিকরা, তা নিয়েই বড়সড় প্রশ্নের মুখে এবার ট্রাম্প।

শুক্রবার রাতে ইরানের (Iran) সীমান্তে ঢুকে আসা একটি মার্কিন এফ-১৫ই (F-15E) যুদ্ধবিমান মিসাইলে সাহায্যে ধ্বংস করে ইরানের বাহিনী। এই বিমানে দুজন বায়ুসেনা সওয়ার হতে পারেন। সেই যুদ্ধবিমান ধ্বংসের ছবি তুলে ধরা হয় ইরানের তরফে। এরপর মার্কিন সংবাদ মাধ্যমেই মার্কিন সেনার তরফে প্রকাশ করা হয় ধ্বংস হওয়া যুদ্ধবিমানের এক পাইলটের কথা। তাঁকে ইরানে উদ্ধার করেছে মার্কিন সেনা, এমনটাই জানানো হয়।

বাকি আরেক পাইলটের খোঁজে মার্কিন দুটি হেলিকপ্টার এলাকায় তল্লাশি শুরু করে। কিন্তু ইরানের সেনার ড্রোনে সেদুটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ফিরে যায়। আমেরিকার বায়ুসেনা ও সেনাবাহিনীর কাছে এখন এই দুই পাইলটকে উদ্ধারই চ্যালেঞ্জ। ইতিমধ্যেই যুদ্ধবিরোধী ও ট্রাম্পের যুদ্ধনীতি বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকার একাধিক প্রদেশ। প্রতিটি মার্কিন নাগরিকের প্রাণ রক্ষার চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। এই পরিস্থিতিতে এক বায়ুসেনার পাইলটের ইরানের হাতে ধরা পড়ার আশঙ্কায় চাপে ট্রাম্প প্রশাসন।

আরও পড়ুন : হরমুজে বিপাকে ট্রাম্প! প্রণালী খুলতে দেশে দেশে ফোন, কথা মোদির সঙ্গেও

এখনও এফ-১৫ই ঈগল ফাইটার (F-15E Eagle Fighter) জেটের দ্বিতীয় সেনার খোঁজ পায়নি আমেরিকা। প্রথম পাইলটকে মার্কিন সেনা উদ্ধার করলেও দ্বিতীয় পাইলটকে ইরানে ঢুকতে দেখা গিয়েছে বলেই দাবি ইরানের। ফলে তাঁর ইরানের সেনার হাতে ধরা পড়া সময়ের অপেক্ষা, এমনটাই দাবি করা হয়। সেই সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রপতি এতদিন ইরান সম্পর্কে বড় গলায় যে দাবি করেছিলেন, ইরানের যুদ্ধবিমান প্রতিরোধী ক্ষমতা নেই, তার পর্দাও ফাঁস হয়ে গেল এই ঘটনায়।

–

–

–

–
–
