যাদবপুর স্টেশন (Jadavpur Station) চত্বরে হকার উচ্ছেদে বাধা দিয়ে রবিবার রাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন সিপিআইএমের নেতা সৃজন ভট্টাচার্য (CPIM leader Srijan Bhattacharya)। সোমবার সেই মামলাতে আলিপুর আদালত (Alipore Court) জামিন পেলেন সৃজন-সহ পাঁচজন। তাঁর বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে দুটি ছিল জামিন অযোগ্য ধারায়।

রবিবার রাতে যাদবপুর স্টেশন রোড এলাকায় হকার উচ্ছেদের জন্য বুলডোজার অভিযান শুরু করে রেল কর্তৃপক্ষ। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন হকার, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বাম কর্মী-সমর্থকেরা। উচ্ছেদের বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন সুজন চক্রবর্তী, সৃজন ভট্টাচার্য-সহ একাধিক বাম নেতা। আন্দোলনকারীরা বুলডোজারের সামনে শুয়ে পড়ে উচ্ছেদ অভিযান রুখে দেওয়ার চেষ্টা করেন।

দীর্ঘ সময় বিক্ষোভ চলার পরে নামে পুলিশ (Police), আরপিএফ (RPF) এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। আন্দোলনকারীদের সরাতে লাঠিচার্জ করা হয়। ঘটনায় বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী-সহ একাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। পরে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সৃজন ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

সৃজন ভট্টাচার্য রেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, যথাযথ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই বেআইনি ভাবে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। গরিব মানুষের জীবিকা রক্ষার আন্দোলনে তাঁরা পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন বলে জানান তিনি। সৃজনদের গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভোররাত থেকে যাদবপুর এলাকায় নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়। সুকান্ত সেতু ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটের সামনে রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদে সামিল হন ছাত্রছাত্রীরা।

সিপিআইএমের (CPIM) যুব নেতাকে জেলে আটকে রাখতে ৭টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে ২টি ধারা জামিন অযোগ্য। কিন্তু আটকে রাখা যায়নি। মুক্তি পেয়েছেন সৃজন-সহ সিপিএম নেতারা।

–

–

–
–
–
