প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি চিকিৎসক মণি কুমার ছেত্রী। রবিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিট নাগাদ বালিগঞ্জ প্লেসের নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৫ বছর। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার পাশাপাশি দিন পনেরো আগে মাথায় আঘাত পাওয়ার ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটেছিল। তাঁর প্রয়াণের খবরে শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা চিকিৎসক মহলে।

বর্তমান এসএসকেএম হাসপাতালকে আধুনিক চিকিৎসার পীঠস্থান করে তোলার নেপথ্যে সবথেকে বড় ভূমিকা ছিল মণি কুমার ছেত্রীর। ওই হাসপাতালের অধিকর্তা থাকাকালীন তাঁরই ঐকান্তিক চেষ্টায় রাজ্যে প্রথমবার গড়ে ওঠে ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিট (আইটিইউ)। শুধু তাই নয়, কার্ডিওলজি থেকে নেফ্রোলজি, কিংবা এনডোক্রিনোলজি থেকে রিউম্যাটোলজি— প্রতিটি বিষয়কে আলাদা বিভাগের মর্যাদা দিয়ে সুপার স্পেশালিটি চিকিৎসার দিশা দেখিয়েছিলেন তিনিই। চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর এই অবিস্মরণীয় অবদানের কথা মাথায় রেখে ১৯৭৪ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করে। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ চিকিৎসক সমাজ। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কিংবদন্তি এই চিকিৎসককে শ্রদ্ধা জানাতে সোমবার রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি চিকিৎসক কর্মস্থলে কালো ব্যাজ পরে দায়িত্ব পালন করবেন।

আরও পড়ুন- ১ এপ্রিল থেকেই মহার্ঘ রান্নার গ্যাস, পকেটে টান দিয়ে বাড়ল ‘ছোটু’র দাম

_

_
_

_
_

_
_

_
