দেখানোর মতো কোনও সুনির্দিষ্ট যুক্তিই নেই কেন্দ্রের। তাই কোনও কারণ ব্যাখ্যা না করেই সম্পূর্ণ একতরফাভাবে খারিজ করে দেওয়া হল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণ প্রস্তাবের নোটিশ। রাজ্যসভা এবং লোকসভা-দুই কক্ষেই। গত ১২ মার্চ তৃণমূল-সহ বিরোধী সাংসদদের স্বাক্ষর করা নোটিশ পেশ করা হয়েছিল রাজ্যসভা এবং লোকসভায়। আশ্চর্যের বিষয়, ২ এপ্রিল পর্যন্ত সংসদ চললেও দু’টি নোটিশই পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয় সংসদে। সোমবার জানিয়ে দেওয়া হল, এই নোটিশ খারিজের কথা।
তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করে প্রশ্ন তুলেছেন, ভ্যানিশ কুমারকে রক্ষা করতে আবার নতুন করে কোন ছলচাতুরি করছে বিজেপি? তাঁর বক্তব্য, লোকসভার মোট ১৩০ জন সাংসদ এবং রাজ্যসভার মোট ৬৩ জন সংসদ জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণ প্রস্তাবের নোটিশে স্বাক্ষর করেছিলেন। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি সাংসদের স্বাক্ষর ছিল নোটিশে। প্রত্যেকেই নিজের হাতে সই করেছিলেন নোটিশে। এরপরেও পরিকল্পনামাফিক খারিজ করা হল নোটিশটি। স্পষ্ট হয়ে গেল বিজেপির সঙ্গে কমিশনের গোপন আঁতাত। ডেরেক জানান, তৃণমূল-সহ বিরোধীদের এরপরের পদক্ষেপ কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে একদিনের মধ্যেই। লক্ষণীয়, এদিনই সমাজমাধ্যমে তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছিল, মুখ্যনির্বাচন কমিশনারকে বাঁচাতে আসলে কোন ফন্দি আঁটছে বিজেপি? ফের বেআব্রু করে দিয়েছিল নাগরিকদের ন্যায্য ভোটাধিকার কেড়ে নিতে বিজেপি-নির্বাচন কমিশনের চক্রান্ত এবং মোদি সরকারের দুরভিসন্ধি। তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন সোমবার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ প্রস্তাবের নোটিশের বিষয়ে কেন্দ্রের অদ্ভুত নীরবতাকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেছিলেন।
আরও পড়ুন- “আগামী ২০ বছর আপনারা মুখ ফেরাবেন না”, শিলিগুড়িতে উন্নয়নের নতুন রোডম্যাপ অভিষেকের
_
_
_

_
_

_
_

_
_

