শুটিং করতে গিয়ে প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে ছিলেন টলিউড অভিনেতা জিতু কামাল (Jeetu Kamal)। হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন আর্টিস্টস ফোরামের (West Bengal Motion Picture Artists Forum)। কিন্তু সমস্যার সমাধান না হওয়ায় এবার নিজেই যেচে প্রযোজকদের সঙ্গে ঝামেলা মিটিয়ে নিলেন তিনি। ‘এরাও মানুষ’ (Erao Manush) ছবি প্রযোজক সাঁইপ্রকাশ লাহিড়ির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছিলেন জিতু। ফোরামে অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু আশ্বাসটুকুই সার, কাজের কাজ না হওয়ায় প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে মতবিরোধ দূর করতে নিজেই তৎপর হয়েছেন জিতু।

সম্প্রতি রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Arunoday Bandopadhyay) মৃত্যুর বিচার চেয়ে পথে নেমেছিলেন ইন্ডাস্ট্রির শিল্পী থেকে কলাকুশলীরা। ‘জাস্টিস ফর রাহুল’ কর্মসূচির দিন হঠাৎ করে আলোচনার শিরোনামে চলে আসেন জিতু। রাহুলের ছবির পাশে নিজের ছবি বসিয়ে তাতে রজনীগন্ধার মালা পরিয়ে দেন। বোঝাতে চেয়েছিলেন তিনি যে অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন সেটা মৃত্যু যন্ত্রণার সমান, হয়তো মৃত্যুর পরে বিচার হলেও হতে পারে। এরপর ফোরামের সম্পাদক শান্তিলাল মুখোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু সন্তুষ্ট হতে পারেননি অভিনেতা। জিতু বলছেন, “আর্টিস্ট ফোরাম থেকে আমাকে বলা হয়েছিল, আমি যেন তিন-চার দিন সময় দিই। কথা বলে মিটিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু, কেউই কোনও উত্তর দিল না এই বিষয়ে। আর কেউ প্রশ্নও করল না। আমিও তো মানুষ। বহু দিন ধরে কাজও করছি। তাই নিজেই উদ্যোগ নিলাম।” ফোরামকে খোঁচা দিয়ে জিতুর সংযোজন, “আমার ঘর, আমার ফোরাম থেকে কোনও ফোন পাইনি আমার সমস্যার সমাধানের জন্য। ‘এসওপি’র (standard operating procedure) ভবিষ্যৎও যে কী, সেটা আমরা জানি না। কিছুই বুঝতে পারছি না। তাই মনে হল, আমার এই সমস্যা নিয়ে ওঁরাও খুব একটা চিন্তিত নন।” অভিনেতার কথায়, একটা ছবিতে অনেক টাকার লগ্নি হয়। সিনেমা আটকে থাকার মানে প্রচুর মানুষের ক্ষতি। এটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য সুখকর নয়।তাই প্রযোজক পরিচালকের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই মতবিরোধ মিটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

–

–

–

–

–

–

–
–

