আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ২৮ ফেব্রুয়ারি মৃত্যু হয়েছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের (ali al khamenei)। তারপর কেটে গিয়েছে ৭ সপ্তাহ। এখনও খামেনেইয়ের(ali al khamenei )দেহ সমাহিত(cremation) করা যায়নি। এমনই দাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক পোস্ট’-এর।

চলতি যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরানি প্রশাসন খামেনেইয়ের দেহ সমাহিত করতে ভয় পাচ্ছে। মৃত্যুর পর থেকেই খামেনেইয়ের দেহ কোনও অজ্ঞাত স্থানে রেখে দেওয়া হয়েছে। যানবাহন সমস্যাও খামেনেইয়ের এখনই শেষকৃত্যের অন্তরায় হয়ে উঠেছে। উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশাদ শহরেই খামেনেইয়ের জন্মস্থান। সেখানেই তাঁর শেষকৃত্যের কথা ভেবে রেখেছে প্রশাসন। এখানেই রয়েছে পবিত্র ইমাম রেজা মাজার। এই মাজারের সামনেই খামেনেইকে সমাহিত করা হবে বলে খবর। প্রথমে ঠিক হয়েছিল ৪ মার্চ থেকে তিনদিনের জন্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তবে যুদ্ধ বেধে যাওয়ায় সেখানে দেহ নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
রুহোল্লা খামেনেইয়ের(ali al khamenei )হাত ধরে ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানে কায়েম হয় আয়োতোল্লা শাসন। ১৯৮৯ সালে মৃত্যু হয় রুহোল্লার। সেবার তাঁর শেষকৃত্যে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়ে ভেঙে পড়েছিল তেহরান। ২৭ বছরের ব্যবধানে কী অদ্ভুত বৈপরীত্য। আয়োতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুতে এবার সব শুনশান।

–

–

–

–

–
