বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা বড়বাজারের জমি পুনরুদ্ধার থেকে ব্যবসায়ীদের জন্য কমিটি— তৃণমূল জমানায় বড়বাজার এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার। মঙ্গলবার জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিবেক উপাধ্যায়ের সমর্থনে বড়বাজারের সত্যনারায়ণ পার্কের সামনে বিরাট জনসভা থেকে সেই খতিয়ান তুলে ধরলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, এখানে মানুষের যা যা চাহিদা ছিল, আমি সব করে দিয়েছি। আগে এখানে ফায়ার স্টেশন ও পুলিশ স্টেশনও ছিল না। আমরা করে দিয়েছি। পোর্টের অধীনে থাকা বড়বাজারের কিছু জমি আমরা ক্লিয়ার করে দিয়েছি। ট্রেডার্সদের জন্য কমিটিও বানিয়ে দিয়েছি। বড়বাজার আর শিলিগুড়ি এখন সবচেয়ে বড় এক্সপোর্ট সেন্টার। আর বড়বাজার তো এশিয়ার সবচেয়ে বড় বাজার।

একইসঙ্গে বড়বাজারের ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে জননেত্রীর অনুরোধ, এখানে পুরনো বাড়ি নিয়ে একটু সমস্যা আছে। আপনারা নিজেদের মধ্যে সমস্যা মিটিয়ে নিন, যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে। প্লাস্টিকে দ্রুত আগুন লাগে। ওগুলো একটু সাবধানে রাখবেন। যেকোনও সুবিধা-অসুবিধায় আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। এদিনের সভা থেকে নোটবন্দির কথা উল্লেখ করে বাংলা থেকে করের টাকা নেওয়া নিয়ে কেন্দ্রকে তুলোধনা করেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুরের কলিন রোডে তাঁর সভার অনুমতি না দেওয়া নিয়ে কমিশন নিযুক্ত রিটার্নিং অফিসারকে তীব্র আক্রমণ করেন। ভোটের বাংলায় আড়াই লক্ষ সেনা জওয়ান থেকে যুদ্ধের সাজে সাঁজোয়া গাড়ি আসা নিয়েও কমিশনকে একহাত নেন তিনি। এমনকী ট্রেনে করে বাইরের রাজ্য থেকে বাংলায় বহিরাগত এনে ভোট করানো নিয়েও গর্জে ওঠেন তৃণমূল নেত্রী।
আরও পড়ুন- ড্রাই ডে করল কে? কমিশনের প্রশাসন আর সিইও-র দায় ঠেলাঠেলি!

_

_

_

_

_
_
_
_
