নিজের পাড়ার বুথে ভোট দিতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ভোটাধিকার প্রয়োগ না করেই ফিরে এলেন সাগরদিঘির বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। ধুলিয়ান গান্ধী বিদ্যালয়ে ভোট দিতে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতি-সক্রিয়তা এবং দফায় দফায় তল্লাশির মুখে পড়ে মেজাজ হারান তিনি। ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বাইরনের প্রশ্ন, আমি কি কোনো সন্ত্রাসবাদী যে আমাকে এভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে?
বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটের একদম শেষ লগ্নে ভোট দিতে পৌঁছেছিলেন বাইরন। তাঁর অভিযোগ, বুথে ঢোকার মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁকে অন্তত পাঁচবার তল্লাশি করেন। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনটিও কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রাজ্য সরকারের দেওয়া ‘ওয়াই ক্যাটেগরির’ নিরাপত্তা পাওয়া সত্ত্বেও কেন একজন বিধায়কের সঙ্গে এমন আচরণ করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিরক্ত ও অপমানিত বোধ করায় শেষ পর্যন্ত ভোট না দিয়েই বুথ ছাড়েন তিনি।
বুথ থেকে বেরিয়েই বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন বাইরন। তিনি বলেন, গোটা ধুলিয়ানের মানুষ জানেন আমি বিধায়ক। আসলে তৃণমূল প্রার্থী নূরে আলমকে হারানোর জন্যই পরিকল্পিতভাবে এই ভোট লুটের নাটক চলছে। তাঁর দাবি, ভোটারদের পাশাপাশি একজন বিধায়ককে এভাবে হয়রানি করা আদতে কমিশনের পরিকল্পিত চক্রান্ত।
আরও পড়ুন- ‘নিজে বাঁচুন, অন্যকেও বাঁচান’, প্রথম দফার ভোটের শেষে জৈন মন্দিরে সম্প্রীতির বার্তা মমতার
_
_

_
_

_

_

_

