মঙ্গলবার সকালে খড়গপুর আইআইটির (Kharagpur IIT) হস্টেল থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চতুর্থ বর্ষের পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম সোহম হালদার (Soham Haldar), বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতে (Barasat)। এদিন বারবার ডাকাডাকি পরও পড়ুয়া নিজের হস্টেল রুমের দরজা না খোলায় সন্দেহ হয়। ক্যাম্পাস থেকে খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ সেখানে পৌঁছে যায়, এরপর দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকতেই গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সোহমের দেহ উদ্ধার হয়। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছেন বলেই প্রাথমিক অনুমান।

দেশের নামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য খড়গপুর আইআইটি। অথচ গত এক- দেড় বছরে এই প্রতিষ্ঠান পড়ুয়া মৃত্যুর কারণে;সবথেকে বেশি শিরোনামে উঠে এসেছে।১৬ মাসে এই শিক্ষাক্ষেত্রে ৯ পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ক্যাম্পাসের অন্যান্য ছাত্ররা জানিয়েছেন, সোমবার রাতে স্বাভাবিকভাবেই কথাবার্তা বলছিলেন সোহম। খাওয়া দাওয়ার পর রাতে ঘরে একাই ছিলেন। সম্প্রতি তাঁদের ক্যাম্পাসিং হয়েছে, কিন্তু চতুর্থ বর্ষের ওই পড়ুয়া কৃতকার্য হতে পারেননি। গত কয়েকদিন ধরে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বন্ধুদের থেকে পিছিয়ে পড়া, চাকরি না পাওয়ার যন্ত্রণার কারণেই কি চরম সিদ্ধান্ত? তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
দিন দশেক আগেই খড়গপুর আইআইটি ক্যাম্পাসের অটল বিহারী হলের আট তলা থেকে পড়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বিতীয় বর্ষের এক পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। সেই তদন্ত শেষ হতে না হতেই ফের মৃত্যুর খবর। তাহলে কি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়াশোনার চাপ আর প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার লড়াইয়ে হার একের পর এক প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে? উত্তর অধরা।

–

–

–

–

–
–
–
