রাজ্যে দ্বিতীয় দফায় ভোটের আগের দিনও নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission), ‘ভীত সন্ত্রস্ত’ কুমার এবং বিজেপিকে ধুয়ে দিল তৃণমূল (TMC)। মহিলা-শিশুদের ভয় দেখিয়ে কী রকম ভোট চলছে, জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) জিজ্ঞেস করলেন অরূপ বিশ্বাস (Arup Biswas)। মানুষ সঠিক জবাব দেবেন বলে মন্তব্য করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (Chandrima Bhattacharya)।

রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, “মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করে দিচ্ছে। সুষ্ঠুভাবে ভোট চান না মানুষের কাছ থেকে জোর করে আদায় করতে চান। নির্বাচন কমিশন এবং জ্ঞানেশ কুমার মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট আদায় করতে চান। মনে হচ্ছে যুদ্ধ চলছে, শুধু নৌসেনা আর বায়ুসেনা নেই। এটা ভোট না যুদ্ধ? মানুষ তাঁর গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন, নির্বাচন কমিশন দেখবেন যে সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন হচ্ছে কিনা, কিন্তু তা না করে ১০০-১৫০ সেনা বাহিনী মানুষের বাড়িতে ঢুকে যাচ্ছে। মানুষ ভয় পাচ্ছেন। আপনারা বলছেন সিঙ্ঘম এসেছেন, আর তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা হলেন পুষ্পা, ঝুকেগা নেহি। লড়াই চলছে চলবে। এবঙ্গ ৪ মে’র পর বিজয় উৎসবে দেখা হবে।”
এদিন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “একদফা ভোট হয়ে গিয়েছে। সেখানে মানুষে নিজের ভোটদান করেছেন। আগামিকাল আরও একদফা ভোট। মানুষ সঠিক জবাব দেবেন।”
আরও খবর: দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে রাতভর অভিযান পুলিশের, গ্রেফতার ৮০৯

অরূপ বলেন, “এটা তো উত্তরপ্রদেশ নয় এখানে এনকাউন্টারের প্রয়োজন হয় না। আর এটা ভোট হচ্ছে। এখানে এনকাউন্টার স্পেশালিস্টের কোনও দরকার নেই। জ্ঞানেশ কুমারকে প্রশ্ন- এটা কী রকম ভোট হচ্ছে যেখানে ঘরে ঢুকে মহিলা-শিশুদের ভয় দেখনো হচ্ছে? ভয় দেখালে কিছু হবে না। আমরা সিপিআইএম-এর সঙ্গে লড়াই করে এ রাজ্যে এসেছি। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) এবং তার সঙ্গে যুক্ত লোকেরা যেবভাবে হোক বিজেপিকে জেতানোর চেষ্টা করছে। এখানে ভোটার লিস্টেও বঞ্চনা। যতই বঞ্চনা করুক বাংলা চিরকাল পথ দেখিয়েছে, বাংলা স্বাধীনতা আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে, আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যেয় নেতৃত্বে বাংলা দেশকে পথ দেখাবে। তৃণমূল কংগ্রেস ২৫০-এর বেশি আসন পাবে।”

–

–

–

–
–
–
