প্রথম দফার ভোট মিটতেই এবার দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতিতে কোমর বাঁধছে নির্বাচন কমিশন। তবে ভোটগ্রহণের আগেই নিরাপত্তার ঘেরাটোপ আরও মজবুত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। বিশেষত অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে এমন ছয়টি বিধানসভা কেন্দ্রকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে সেখানে বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার পথে হাঁটছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের সাতটি জেলার মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করাই এখন কমিশনের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ। সেই লক্ষ্যেই পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট ও কেতুগ্রাম এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম ও ফলতা— এই ছয়টি কেন্দ্রকে বিশেষ স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মূলত এই এলাকাগুলির রাজনৈতিক ইতিহাস ও বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, এবারের ভোটে প্রায় ৩০ শতাংশ বুথকে ‘অতিস্পর্শকাতর’ তকমা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ নজরদারির তালিকায় রয়েছে পূর্ব বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা। অশান্তি রুখতে প্রাথমিক পরিকল্পনার তুলনায় অনেক বেশি বাহিনী ময়দানে নামানো হচ্ছে। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় দফার ভোটে মোতায়েন থাকবে মোট ২৩৪৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

কমিশনের এক আধিকারিক জানান, প্রতিটি বুথে যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁক রাখা হচ্ছে না। বাহিনীর সক্রিয়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি আকাশপথে নজরদারি ও নাকা চেকিংয়ের উপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন – ভিনেশের সঙ্গে তীব্র অসহযোগিতা কুস্তি ফেডারেশনের, নেপথ্যে সেই ব্রিজভূষণ!

_

_

_
_
_
_
