নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে যখন বারবার আশ্বাস দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission), ঠিক তখনই কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) সামনে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। ভোট দিতে গিয়ে বহু গাড়িচালক জানতে পারেন, তাঁদের ভোট নাকি আগেই পোস্টাল ব্যালটে (Postal Ballot) পড়ে গিয়েছে। অথচ তাঁদের দাবি, তাঁরা কেউ পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেননি, এমনকী ভোট সংক্রান্ত কোনও নথিতেও সই করেননি। তাঁদের হুঁশিয়ারি, ভোট দিতে না পারলে আত্মহত্যার পথ বেছে নেবেন। এই ঘটনাকে ঘিরে দ্বিতীয় দফার ভোটের দিনেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়।

কৃষ্ণনগর (Krishnanagar) দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ১ নম্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের দফতরের মাধ্যমে নির্বাচনের কাজে প্রায় ৪০০টি গাড়ি ভাড়া করা হয়েছিল। গত ২০ তারিখ থেকে এই চালকেরা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে যুক্ত ছিলেন। প্রথম দফার ভোটেও তাঁরা বিভিন্ন এলাকায় কাজ করেছেন। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে নিজেদের এলাকায় ভোট দিতে গেলে ভোটকেন্দ্রে তাঁদের জানানো হয়, তাঁদের ভোট ইতিমধ্যেই পোস্টাল ব্যালটে পড়ে গিয়েছে।
এই কথা শুনে হতবাক হয়ে যান চালকেরা। তাঁদের প্রশ্ন, ভোট না দিয়েই কীভাবে তাঁদের নামে ভোট পড়ে গেল? কোথাও কোনও কাগজে সই না করে কীভাবে পোস্টাল ব্যালট সম্পূর্ণ হল? এই অভিযোগ তুলে তাঁরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে এই দাবিতে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। কয়েকজন চালক চরম হতাশা থেকে আত্মঘাতী হওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। শেষ পর্যন্ত তাঁদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

–

–

–

–
–
–
