ভবানীপুর কেন্দ্রের স্ট্রং রুম লর্ড সিনহা রোডের সাখওয়াত মেমোরিয়াল গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল। দলীয় কর্মীদের যেমন নির্বাচন হয়ে যাওয়ার রাত থেকে গণনার শেষ পর্যন্ত ইভিএম ও পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষিত থাকা স্ট্রং রুম (strong room) পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি নিজেও তার ব্যতিক্রম হলেন না। বৃহস্পতিবার রাত ৮টা নাগাদ পৌঁছে গেলেন সাখয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে (Sakhawat Memorial Govt Girls High School)। তার জেরে রাতেই বাড়ানো হল স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর (central force) সংখ্যা।

বুধবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচন মেটার পরে বৃহস্পতিবার থেকেই স্ট্রং রুমে নিজেদের মতো লোক ঢোকানোর অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে সেই কারচুপি হাতে নাতে ধরে ফেলেন তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা। তৃণমূল তো বটেই কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ছাড়াই পোস্টাল ব্যালট (postal ballot) সেগ্রিগেশনের (segregation) কাজ শুরু করে নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুন : সিলড স্ট্রংরুমে ব্যালটের কাজ, নেই রাজনৈতিক প্রতিনিধি! তৃণমূলের প্রতিবাদে স্বচ্ছতার আশ্বাস

এরপরই গোটা রাজ্যের তৃণমূল কর্মীরা আরও সতর্ক করেন স্ট্রং রুম নিয়ে। খোদ দলনেত্রী (TMC supremo) বৃহস্পতিবার রাত ৮টা নাগাদ পৌঁছে যান নিজের কেন্দ্রের স্ট্রং রুমে। তার আগে কলকাতা বন্দর কেন্দ্র্রের প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম নেত্রীর আসার জন্য সাখয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। নিয়ম না থাকায় তিনি স্ট্রং রুমের ভিতরে ঢুকতে পারেননি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা স্কুলে থাকার পরে কেন্দ্রে মহিলা সিআরপিএফ (CRPF) বাড়ানো শুরু হয়। যদিও স্ট্রং রুম (strong room) পাহারা নিয়ে রাতে কিছু জানাননি তৃণমূল নেত্রী।

আশ্চর্যজনকভাবে যে স্ট্রং রুমের বাইরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কোনও বিজেপি কর্মকর্তাকে দেখা যায়নি, ফিরহাদ হাকিম ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছাতেই সেখানে তৎপরতা শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। সাখয়াত মেমোরিয়ালের বাইরে যত রাত বাড়ে তত ভিড় বাড়ে বিজেপি কর্মীদের। তৃণমূলের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়ে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা শুরু করে তারা। যদিও তার আগেই ব্যাপক সংখ্যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সেখানে মজুত হয়ে যাওয়ায় তৃণমূলের প্রচার গাড়ি ঘিরে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা চালানো বিজেপি কর্মীদের দ্রুত সরিয়ে দেয় পুলিশ।

–

–

–
–
–

