এসআইআরের প্রথম ধাপ থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হচ্ছিল দিল্লির নির্বাচন কমিশন দফতর থেকে। সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের (CEC, Gyanesh Kumar) অঙ্গুলি হেলনে রাজ্যের ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া থেকে এবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের (second phase election) পুণর্নির্বাচনের (repolling) সিদ্ধান্তও নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন (ECI) থেকে।

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের শেষে একাধিক জায়গা থেকে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ দায়ের হয়। সেই মতো ৭৭ টি বুথে (polling booth) অভিযোগের কথা জানিয়েছিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। সেই মতো দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার একাধিক কেন্দ্রের নির্বাচনী আধিকারিকদের স্ক্রুটিনি (scrutiny) কথা জানানো হয়। জাতীয় নির্বাচন কমিশন থেকে রাজ্যের বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে নিজে থেকে স্ক্রটিনির নির্দেশ দেওয়া হয়।
সেই মতো একাধিক কেন্দ্রে ঘোরেন সুব্রত গুপ্ত। শেষে জানান, মগরাহাট পশ্চিম ও ফলতা কেন্দ্রে অভিযোগ রয়েছে। সেই সঙ্গে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার (RO) ৪ বুথে পুণর্নির্বাচনের (repolling) সুপারিশ করেছেন। সেই মতো সুপারিশ পাঠিয়ে দেওয়া হবে নির্বাচন কমিশনে।

আরও পড়ুন : স্ট্রংরুম- গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি কমিশনের!

তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের শুধুই সুপারিশ করার ক্ষমতা রয়েছে। যেভাবে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় যাবতীয় নাম বাদ পড়ায় অভিযোগ জমা নিতে হত সিইও দফতরকে, অথচ কমিশনের অ্যাপে কারসাজি চলত দিল্লি থেকে। কবে এই পুণর্নির্বাচন হতে পারে, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুব্রত গুপ্ত জানান, পুণর্নির্বাচন হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে হলে কবে হবে তাও তাদেরই সিদ্ধান্ত।

–

–

–
–
–

