সংখ্যা গরিষ্ঠ দল হিসেবে এবার সরকার গঠন করবে বিজেপি (BJP)। এখন প্রশ্ন কবে, কোথায়, কখন শপথগ্রহণ? মুখ্যমন্ত্রীই বা কে? সেই প্রশ্নের জবাব না দিলেও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharjee) জানালেন, ৮ মে, শুক্রবার সন্ধেয় বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক ডাকা হয়েছে। পরের দিন অর্থাৎ ৯ মে পঁচিশে বৈশাখ কলকাতার ব্রিগেড (Bridge) প্যারেড গ্রাউন্ডে সকাল ১০টায় নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ। সেই প্রস্তুতি নিয়েই বুধবার নবান্নে মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার সঙ্গে বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এর পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিতি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা।

মুখ্যমন্ত্রী পদে কে শপথ নেবেন, তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি বিজেপি। তবে শুক্রবারের বিধায়ক বৈঠকের পর পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচন হবে। এদিন দুপুরে নবান্নে ঢোকার আগে শমীক (Shamik Bhattacharjee) জানান, ৮ মে সন্ধেয় বৈঠক হবে। ৯ মে সকাল ১০টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ। থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ ২০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা।
নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, ব্রিগেডে সম্ভাব্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা, মঞ্চ নির্মাণ, আমন্ত্রিত অতিথিদের বসার ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সমন্বয় নিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকলে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রশাসনের সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে শপথগ্রহণের জন্য বেছে নেওয়ার মধ্যে স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে। বামফ্রন্ট ও তৃণমূল- দুই শিবিরই অতীতে ব্রিগেডকে শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করেছে। এ বার বাংলায় ক্ষমতার পালাবদলের আবহে সেই ব্রিগেড থেকেই নতুন সরকারের যাত্রা শুরু করতে চাইছে বিজেপি।
আরও খবর: ত্রিপুরা থেকে বাংলা-ক্ষমতায় এসেই লেনিনের মূর্তিতে হামলা বিজেপির! প্রতিহত করা হবে: CPIM

একই সঙ্গে প্রশাসনিক মহলেও প্রস্তুতি তুঙ্গে। নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় কোথায় হবে, অন্তর্বর্তী প্রশাসনিক কাঠামো কী ভাবে চলবে এবং নতুন মন্ত্রিসভার কাজকর্ম কোথা থেকে শুরু হবে— তা নিয়ে আলোচনা চলছে। নবান্ন সূত্রের খবর, অন্তত প্রাথমিক পর্যায়ে বিধানসভা ভবনের অ্যানেক্স অংশকে অস্থায়ী সচিবালয় হিসেবে ব্যবহার করার ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রশাসনিক সদর দফতর ফের মহাকরণে স্থানান্তরের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

–

–

–
–
–
