বেআইনি নির্মাণ নিয়ে প্রথম থেকেই যে রাজ্যের নব নিযুক্ত বিজেপি সরকার কাজ করবে, তা প্রথম দিন দফতরে বসেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন রাজ্যের নতুন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। তিলজলায় (Tiljala) চামড়ার কারখানা ঘুরে সেই একইভাবে রাজ্যের সমস্ত বেআইনি নির্মাণের (illegal construction) রিপোর্ট বুধবার সকাল ১১টার মধ্যে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিভাগকে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী নোটিশ (notice) পাঠানোর পাশাপাশি তিলজলার মতো প্রতিটি ঘটনায় দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ বেআইনি নির্মাণকারীর থেকেই আদায় (confiscate) করার কথাও জানালেন মন্ত্রী।
তিলজলায় যে চামড়া কারখানায় আগুন লেগে মঙ্গলবার দুজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, সেখানে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর ও দমকল দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে পরিদর্শনে যান মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। একদিকে পুলিশকে বাড়ি ও কারখানার পলাতক মালিককে দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দেন। অন্যদিকে জানান, বুধবার ঘটনাস্থলে ফরেনসিক দল (forensic team) তদন্তে যাবে।

প্রাথমিক তদন্তের পরে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, প্রাথমিকভাবে যেখানে কারখানার কাজ হচ্ছিল, সেটি বেআইনি বলেই জানা গিয়েছে। কোনও দমকলের ছাড়পত্র ছিল না। অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকায় যেভাবে কাজ হচ্ছিল তাতে দমকলের কাজে সমস্যা হয়। বেআইনিভাবে কারখানা চালানোর কারণে উপযুক্ত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়নি। যার থেকে শর্ট সার্কিট (short circuit) হতে পারে। তবে তদন্তের শেষেই দুর্ঘটনার আসল কারণ প্রকাশ্যে আসবে।

আরও পড়ুন : ভিন রাজ্যে আলু বিক্রি: কৃষি বিপণনের দায়িত্ব পেয়েই বার্তা দিলীপের

গোটা ঘটনায় বেআইনি নির্মাণকেই কার্যত দায়ী করেন মন্ত্রী। তিনি জানান শুধুমাত্র তিলজলা বা কসবা নয়, গোটা রাজ্যে যত বেআইনি নির্মাণ রয়েছে তার তালিকা তৈরি করে নোটিশ পাঠানো হবে। অন্যদিকে তিলজলার মৃত ও আহতদের ক্ষতিপূরণের (compensation) প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। মন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। আর যিনি মালিক তাঁর কি কি বাজেয়াপ্ত করা হবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য সেটাও দেখতে হবে। উত্তরপ্রদেশ সরকারও ক্ষতিপূরণ দেয়। কিন্তু বেআইনি কারবারিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (confiscate) করে। নাহলে তারা শিক্ষা পাবে কি করে।

–

–

–
–
–
