খোঁজ পাচ্ছিল না পুলিশ (Police)। অবশেষে সোমবার, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটে (ED) দেখি মিলল বিশ্বজিৎ পোদ্দার (Biswajit Poddar) ওরফে সোনা পাপ্পু। আর্থিক প্রতারণা ও তোলাবাজি থেকে শুরু করে কাঁকুলিয়ায় বোমা-গুলিকাণ্ডেও নাম জড়ায় তাঁর। আগেই সম্পত্তি সংক্রান্ত প্রায় ৩০০ পাতার নথি সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল। এদিন ED দফতরে ঢোকার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, তিনি কোনও বোমাবাজির সঙ্গে জড়িত নন। ঘটনার দিন তিনি বাড়িতেই ছিলেন। পুজো করছিলেন। আর তাঁর স্ত্রী স্যোশাল মিডিয়ায় তার লাইভ করছিলেন।
এর আগে সোনা পাপ্পুর বাড়-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পরবর্তীকালে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। পাপ্পুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, অন্যের থেকে জমি কম দামে ভয় দেখিয়ে কিনে বেশি দামে বিক্রি করত। এ ব্যাপারে পুলিশি সহায়তার অভিযোগে ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ইতিমধ্যে পুলিশি জালে। ব্যবসায়ী জয় এস কামদারও একই কারনে গ্রেফতার হয়। যদিও পাপ্পু দাবি করেন “আমি আগেও বলেছি, আমি কোনও বোমাবাজি, কোনও কাকুলিয়া কেসে জড়িত ছিলাম না। সেদিন আমি পুজোতে বসেছিলাম। আমার স্ত্রী লাইভ ছাড়ছিল। আমি এখনও তা-ই বলছি।” তাঁকে কেন খুঁজে পায়নি পুলিশ? উত্তরে সোনা পাপ্পু জানান, “আমি ঘরেই ছিলাম। পুলিশ এক-দু’বার এসেছিল ঘরে। বাইরে বেরোইনি।”

প্রথমে জয় এস কামদারের এবং তারপরে কলকাতা পুলিশ কর্তা শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করা হয়। এদিন ইডি দফতরে সোনা পাপ্পুকে ডিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

–

–

–

–

–
–
–
