ধনধান্য অডিটোরিয়ামে (Dhono Dhanyo Auditorium) কৃতীদের শুভেচ্ছা জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। সোমবার ২০২৬ সালের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, মাদ্রাসা এবং ICSE, ISC ও CBSE-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর কৃতী ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কৃতিদের এই সাফল্যে শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে কবি কালীদাস রায়ের কবিতা স্মরণ করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বহু বছর আগে কবি লিখেছিলেন— ‘বর্ষে বর্ষে দলে দলে আসে বিদ্যামঠতলে…’। কিন্তু সেই কবিতাতেই তিনি ম্লান মুখের কথাও লিখেছিলেন। আজ আমি যাদের সামনে বসে আছি, তাঁদের মুখ ম্লান নয়। এঁরা নিজেদের মেধা, প্রতিভা আর অধ্যাবসায় দিয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এই মুখগুলি তাঁদের পরিবারের উজ্জ্বল মুখ।” আরও পড়ুন: কেরলমের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন ভিডি সতীশন
শিক্ষাদানের সনাতন ঐতিহ্যের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, “শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানম। অর্থাৎ, শিক্ষকদের প্রতি যাদের অন্তরে প্রকৃত শ্রদ্ধা আছে, তাঁরাই প্রকৃত জ্ঞান লাভ করতে পারেন। শুধুমাত্র বইয়ের পাতার মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞান লাভ করা সম্ভব নয়।” এদিনের মঞ্চ থেকে জাতীয় শিক্ষানীতির (New Education Policy) ইতিবাচক দিকও পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, আধুনিক এই শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের শুধু সিলেবাসের খাঁচায় বন্দি রাখবে না। নতুন শিক্ষানীতির আওতায় পড়ুয়ারা শুধু একটা ভারী ব্যাগের চাপে বা নির্দিষ্ট কারিকুলামের গণ্ডিতে আটকে থাকবে না। সেখানে শিক্ষার্থীর নিজস্ব ইচ্ছা, ভালোবাসা ও আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থার নমনীয়তার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা এমন এক ব্যবস্থায় প্রবেশ করতে চলেছেন, যেখানে একজন শিক্ষার্থী চাইলে একই সঙ্গে ইতিহাস এবং ফিজিক্স — দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে পারবেন।”

–

–

–

–

–

–
–
–
