Monday, May 18, 2026

জাতীয় শিক্ষা নীতির আওতায় আসছে বাংলা, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Date:

Share post:

রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরেই জাতীয় শিক্ষা নীতির আওতায় আসছে বাংলা। রাজ্যের সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Subhendu Adhikari)। সোমবার, ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বিভিন্ন বোর্ডের রাজ্যের কৃতী পড়ুয়াদের (Student) সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে রাজ্যের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ”বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আবেদন করব অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে ভাবে ফিস নিচ্ছেন, তাতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ রাখা উচিত। এমন কোনও কাজ করবেন না যাতে সরকার বিব্রত হয়। সাধারণ বাড়ির ছেলে মেয়েরা অসুবিধায় পড়ে এমন কাজ করবেন না। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে যত্নবান হন।”

রাজ্যের সরকারি শিক্ষা (State Government Education) ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। সিলেবাসের বদল থেকে স্মার্ট ক্লাসরুম চালু-সহ একাধিক বিষয় সরকারি স্কুলগুলিতে চালু হচ্ছে। এদিন কৃতীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”প্রকৃত আধুনিক শিক্ষা নিয়ে আপনারা নিজেদেরকে স্বনির্ভর গড়ে তুলুন এটা আমরা সবসময় চাই। সরকারের পরিচয় তার কর্মেই হোক। সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার উপর রাজ্যের ৯০% মানুষ নির্ভর করে। বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাচ্ছে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা। ভারত সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাজ্য। শিক্ষা সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করার উদ্দেশ্যে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রাজনৈতিক মনোনয়ন বাতিল করেছে রাজ্য।”

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে মুখ্যমন্ত্রী (Subhendu Adhikari) আবেদন, ”আমি আবেদন করব আপনারা যে সমস্ত অর্থ নিচ্ছেন ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে এক্ষেত্র সরকারের নিয়ন্ত্রণ রাখা উচিত। আপনারা এখন থেকে ভাবতে শুরু করুন। এমন কোন কাজ করবেন না যাতে সরকার বিব্রত হয়। কোনও ছেলেমেয়েরা যাতে অসুবিধার মধ্যে পড়ে এটা করবেন না। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তি খুব সহজ। দয়া করে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে একটু সঠিক যত্নবান হন। মেধা অনুযায়ী তার মূল্যায়ন হওয়ার দরকার। নইলে প্রতিযোগিতা যখন আমাদের সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা ছাত্রছাত্রীরা যাচ্ছে তারা তখন বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতায় ছিটকে যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা দরকার।”

একই সঙ্গে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সমস্ত ধর্মীয় ভাতা বন্ধ করে বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ চালু করবে। ফলে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল সমস্ত ছাত্রছাত্রী ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তাদের অভিভাবকরা মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে শিক্ষা দফতরের যোগাযোগ করবেন। বন্ধ হয়ে যাওয়া বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ আজ থেকে চালু হলো।”

Related articles

FIR খারিজের আবেদন জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক

ভোট প্রচারে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে বিধাননগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখায় হওয়া এফআইআরের খারিজের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই...

দেবজ্যোতি মিশ্রের ‘আলোপাখির গান’, চাঁদের হাট জিডি বিড়লা সভাঘরে

সুরের কোনো সীমানা হয় না। দেশকাল ও ভাষার গণ্ডি পেরিয়ে সুরই মানুষকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে। বাংলা তথা...

সংখ্যালঘু ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে নেদারল্যান্ডসের কটাক্ষ, কড়া জবাব ভারতের

ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, তার...

কোর্টের লড়াইয়ে স্বস্তি বিসিসিআই, জ্বালানি সংকটের মধ্যেও চলবে আইপিএল?

মাঠের বাইরে কোর্টের লড়াইয়ে বড় জয় বিসিসিআই(BCCI)। আরটিআইয়ের (RTI) আওতায় পড়বে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ৮ বছর ধরে...