মাঠের বাইরে কোর্টের লড়াইয়ে বড় জয় বিসিসিআই(BCCI)। আরটিআইয়ের (RTI) আওতায় পড়বে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ৮ বছর ধরে আদালতে এই মামলা চলছিল। অবশেষে সেই মামলার রায় ঘোষিত হল।
আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিসিসিআই(BCCI) সংবিধানের আইন মেনে বা নির্দেশে বা সংসদের কোনও আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এটি স্বাধীন সংস্থা, এই সংস্থার আর্থিকভাবে স্বাধীন। বিসিসিআই সরকারের থেকে কোনও সাহায্য নেয় না। সরকার এই সংস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে না। তাই এই সংস্থাকে আরটিআই আইনের অন্তর্ভুক্ত করা যায় না।

২০১৮ সালে তৎকালীন তথ্য কমিশনার এম. শ্রীধর আচার্যুলু ঘোষণা করেছিলেন, বিসিসিআই ২০০৫ সালের আরটিআই আইনের সেকশন ২ (এইচ) আওতায় পড়ে। বিসিসিআইকে একজন তথ্যসম্প্রচার আধিকারিক নিয়োগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তের পাল্টা মাদ্রাস হাই কোর্টে আবেদন করে বিসিসিআই। যা সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাছে পাঠানো হয়, নতুন করে বিচারের জন্য। নতুন রায়ের ফলে এবার থেকে বিসিসিআই আর আরটিআইয়ের আওতায় পড়ে না।

এদিকে, দেশজুড়ে জ্বালানি সংকটের মধ্যে আইপিএল চালিয়ে যাওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল বলেছেন যে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশ এলে তাঁরা বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

তাঁর কথায়, “আমরা এই বিষয়ে বিসিসিআই এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য পায়নি। বিভিন্ন সংস্থার নিজস্ব মতামত থাকতে পারে, কিন্তু আমরা ভারত সরকারের কাছে দায়বদ্ধ। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশ এলে আমরা অবশ্যই তা বাস্তবায়ন করব।

–

–

–
–
–
–
–
