এবার সব সীমা ছাড়িয়ে গেল বিজেপির প্রতিহিংসার রাজনীতি। প্রথমবার ক্ষমতায় এসে যখন বিজেপির লক্ষ্য হওয়া উচিত ছিল জনকল্যাণ ও উন্নয়ন, তখন প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই উদ্যত বিজেপি। শনিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর সেই প্রতিহিংসাপরায়ণ মনোভাব নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বিজেপির পোষা গুন্ডারা। গন্ডগোল পাকাতেই লোক জড়ো করেছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সোনারপুরবাসীর মধ্যে সেভাবে কোনও উষ্মাই যে ছিল না, তার প্রমাণ মিলেছে বিক্ষোভ পেরিয়ে অভিষেকের এলাকায় ঢোকার ভিডিও-তে।

ওই ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জোড়হাতে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। উষ্ণ হাসিতে তাঁকে আপন করে নিচ্ছেন। সেখানে বিজেপির ভাড়াটে গুন্ডারা তাঁর উপর প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বর্বরোচিত হামলা চালাচ্ছে। আবার সেই পরিকল্পিত হামলার পর বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ স্পষ্ট দেখা গিয়েছে বিজেপি-আশ্রিত গুন্ডারাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। এ-প্রসঙ্গে তৃণমূল দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিতে চায়, একটি গণতান্ত্রিক সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, তখন তাদের প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত সাধারণ মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়ন। কিন্তু ক্ষমতা দখলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই বিজেপির প্রশাসন অত্যন্ত হীন উদ্দেশ্যে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেড প্লাস নিরাপত্তা বলয় প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয়।
এর ঠিক পরপরই, তিনি যেই মুহূর্তে জনগণের মাঝে পা রেখেছেন, ঠিক তখনই বিজেপি পরিকল্পিতভাবে গুন্ডা লেলিয়ে তাঁর ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে।

পুরো ঘটনাপ্রবাহের ‘ক্রোনোলজি’ বা ধারাবাহিকতা এখন জলের মতো পরিষ্কার যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হল। তারপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে পথ আটকে হামলা চালানো হল। এখান থেকেই প্রশ্ন ওঠে, এই নিরাপত্তা গাফিলতির নির্দেশ কার ছিল? কার উসকানিতে এই হিংস্র জনতাকে জড়ো করা হয়েছিল? এই ঘটনা প্রমাণ করে বিজেপি ক্ষমতায় আসেই বাংলার আইনশৃঙ্খলা একেবারে ভেঙে পড়েছে। একুশ দিনেই একুশে আইন জারি করে ফেলেছে বাংলায়। আর বাংলায় হিংসার এই ঘনঘটায় প্রমাণিত শুভেন্দু অধিকারী একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সপ্তাহেই সম্পূর্ণ ব্যর্থ।

আরও পড়ুন- ছবিই প্রমাণ! অভিষেকের উপর হামলার মূলে বিজেপিই

_

_

_

_
_
_
_
