তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশি চোখরাঙানি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট প্রাক্তন বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়ের(Tapas Chatterjee)। গত শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং হুগলির চণ্ডীপুরে বর্ষীয়ান নেতা-সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) উপর হামলার প্রতিবাদে রবিবার বারাসত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে রাজারহাট বিষ্ণুপুর–২ ব্লকের পোদরা অঞ্চল এবং বারাসত ব্লক–২-এর লাঙ্গলপোতা অঞ্চলের কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থককে নিয়ে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত হয়। কিন্তু প্রাক্তন বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিকভাবে সংগঠিত প্রতিবাদ মিছিল আটকে দেয় রাজারহাট থানার পুলিশ (Rajarhat Police)। বিশাল পুলিশবাহিনী নিয়ে তৃণমূল কর্মীর সমর্থকদের পাশাপাশি প্রাক্তন বিধায়কের উপর চোটপাট করতে দেখা যায় থানার বড়বাবুকে।

তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) তরফে জানানো হয়েছে প্রথমে মিছিল বন্ধ করার জন্য তাপস চট্টোপাধ্যায়কে হুমকি দেন পুলিশকর্তা, যে ঘটনার ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল (সত্যতা যাচাই করেনি বিশ্ববাংলা সংবাদ)। বিজেপি সরকারের পুলিশ এখানেই থেমে থাকেনি, প্রতিবাদীদের কণ্ঠরোধ করতে লাঠিচার্জও করা হয় বলে জানা গিয়েছে। রাজারহাট থানার বড়বাবু হুমকির সুরে বলেন, ‘এক্ষুনি লোকজন সরান। নইলে অমাবস্যা-পূর্ণিমায় ব্যথা বাড়বে।’ তাপস (Tapas Chatterjee) বোঝানোর চেষ্টা করেন, অনুমতি আপনারা দেননি। তাই বাধ্য হয়ে প্রতিবাদে নামতে হয়েছে। এরপর বড়বাবু তাপসকে ধাক্কা দিয়ে তাঁর হাতের পতাকা ফেলে দেন। প্রাক্তন বিধায়কের দাবি, প্রশাসনের দমনমূলক আচরণের পরেও দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল ভাঙতে পারেনি পুলিশ। ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভয় দেখানো কিংবা শক্তি প্রয়োগ করে তৃণমূলের আন্দোলনকে স্তব্ধ করা যাবে না। যেভাবে গণতন্ত্রকে পদে পদে হত্যা করা হচ্ছে বিরোধী কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করার চেষ্টা চলছে মানুষ খুব তাড়াতাড়ি তার জবাব দেবে।

–

–

–

–

–

–
